এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
পর্তুগালের পর এবার বেলজিয়াম—নকআউট পর্বে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে স্পেনের ত্রাণকর্তা হয়ে আবির্ভূত হলেন মিকেল মেরিনো। বদলি হিসেবে মাঠে নামার মাত্র এক মিনিটের মাথায় গোল করে ভাঙলেন বেলজিয়ামের জমাট প্রতিরোধ। লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে তার শেষ মুহূর্তের নাটকীয় গোলেই বেলজিয়ামকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে দীর্ঘ ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে স্পেন। ২০১০ সালে শিরোপা জয়ের পর এই প্রথম বিশ্বমঞ্চের শেষ চারে পা রাখল লা রোহারা।
ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যদের প্রতিপক্ষ কিলিয়ান এমবাপ্পের ফ্রান্স। অন্য কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে আগেই শেষ চার নিশ্চিত করেছে দিদিয়ের দেশমের দল। ফলে ইউরো ২০২৪-এর পর আবারও ফুটবলবিশ্ব দেখতে যাচ্ছে এমবাপ্পে ও লামিন ইয়ামালদের মধ্যকার এক রোমাঞ্চকর দ্বৈরথ।
আবারও দৃশ্যপটে মেরিনো ও গোলরক্ষকের ভুল
শেষ ষোলোর ম্যাচে পর্তুগালের বিপক্ষেও যোগ করা সময়ে স্পেনের জয়সূচক গোলটি করেছিলেন মেরিনো। বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচের ৮৭ মিনিটে তাকে দানি ওলমোর জায়গায় মাঠে নামান স্প্যানিশ কোচ। মাঠে নামার ঠিক এক মিনিট পরই বেলজিয়াম শিবিরে আঘাত হানেন এই মিডফিল্ডার।
পাউ কুবারসির দূরপাল্লার একটি শট ঠিকঠাক নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি বেলজিয়ামের বদলি গোলরক্ষক সেন্নে ল্যামেন্স। সামনে চলে আসা আলগা বলটি অত্যন্ত দ্রুততায় জালে পাঠিয়ে দেন মেরিনো [উৎস]। এই এক গোলেই নিশ্চিত হয়ে যায় স্পেনের জয়, অন্যদিকে মাথায় হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় তরুণ গোলরক্ষক ল্যামেন্সকে।
বেলজিয়ামের শুরুতেই ধাক্কা ও রুইজের গোল
ম্যাচ শুরুর আগেই বড় ধাক্কা খায় বেলজিয়াম। অনুশীলনের সময় হ্যামস্ট্রিংয়ে অস্বস্তি অনুভব করায় একাদশ থেকে ছিটকে যান ইউরি তিলেমানস। তার জায়গায় শুরু করেন হান্স ভানাকেন।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আক্রমণ সাজাচ্ছিল স্পেন। বিশেষ করে ডান প্রান্তে তরুণ তুর্কি লামিন ইয়ামাল বেলজিয়ামের রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখছিলেন। ম্যাচের ৩০ মিনিটে সেই প্রান্ত থেকেই এগিয়ে যায় স্পেন [উৎস]। ইয়ামালের সঙ্গে চমৎকারভাবে বল দেওয়া-নেওয়া করে বক্সে নিচু ক্রস বাড়ান পেদ্রো পোরো। ওলমোর প্রথম শট থিবো কোর্তোয়া ঠেকিয়ে দিলেও বল পুরোপুরি বিপদমুক্ত করতে পারেননি। ফিরতি বলে দারুণ শটে জাল খুঁজে নেন ফাবিয়ান রুইজ।
দে কেতেলারের সমতা ও স্পেনের রেকর্ড ভাঙন
পিছিয়ে পড়ার পর প্রথমার্ধের শেষ দিকে ম্যাচে ফেরে বেলজিয়াম। ৪১ মিনিটে কেভিন ডি ব্রুইনার নিখুঁত পাস থেকে বল পান তিমোথি কাস্তানিয়ে। তার মাপা ক্রসে কুবারসিকে পেছনে ফেলে নিখুঁত হেডে বল জালে জড়ান বেলজিয়ান ফরোয়ার্ড শার্ল দে কেতেলারে।
এই গোলের মাধ্যমেই এবারের বিশ্বকাপে প্রথম গোল হজম করল স্পেন। আগের পাঁচ ম্যাচে স্পেনের জাল সম্পূর্ণ অক্ষত রেখেছিলেন গোলরক্ষক উনাই সিমন।
কোর্তোয়ার চোট ও ম্যাচের মোড় পরিবর্তন
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের গতি আরও বৃদ্ধি পায়। দুই দলই একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে। বিশেষ করে ইয়ামাল ও মিকেল ওইয়ারসাবালের দুটি নিশ্চিত গোল আটকে দিয়ে বেলজিয়ামকে ম্যাচে টিকিয়ে রেখেছিলেন থিবো কোর্তোয়া। কিন্তু ম্যাচের ৭১ মিনিটে ঊরুর চোট নিয়ে চোখের জলে মাঠ ছাড়তে হয় বেলজিয়ান অধিনায়ককে। তার জায়গায় মাঠে নামেন ল্যামেন্স।
ম্যাচটি যখন অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর আভাস দিচ্ছিল, তখনই দে লা ফুয়েন্তের বদলি নামানোর চমৎকার সিদ্ধান্তটি কাজে লেগে যায়। ল্যামেন্সের ভুলকে কাজে লাগিয়ে মেরিনো স্পেনকে উল্লাসে মাতান। ম্যাচের যোগ করা ৭ মিনিটে রোমেলু লুকাকুকে কেন্দ্র করে বেলজিয়াম মরিয়া চেষ্টা চালালেও স্পেনের রক্ষণভাগ তা দারুণভাবে সামলে নেয় এবং ২-১ ব্যবধানের জয় নিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে স্পেন।
জুন ২০, ২০২৬
জুলাই ৬, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ঝালকাঠি | ১১ জুলাই, ২০২৬
ফেনী | ১১ জুলাই, ২০২৬
লালমনিরহাট | ১১ জুলাই, ২০২৬
ফুটবল | ১১ জুলাই, ২০২৬
ফরিদপুর | ১১ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।