এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল মাত্র ২১১ রান, কিন্তু বাবর আজমের একা লড়াই সত্ত্বেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেস আক্রমণের সামনে তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান গুটিয়ে গেল মাত্র ১২০ রানে। ট্রিনবাগোর তারোবায় অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টে সফরকারী পাকিস্তানকে ৯০ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এই জয়ের ফলে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ক্যারিবীয়রা।
২১১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চরম বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান। দলীয় ৫ রানে ইমাম-উল-হক এবং ২৫ রানের মধ্যে আজান আওয়াইস ও সালমান আগাকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে সফরকারীরা। ২৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে মধ্যাহ্ন বিরতিতে যাওয়া পাকিস্তান বিরতির পরও চাপ সামলে উঠতে পারেনি।
অধিনায়ক বাবর আজম এক প্রান্ত আগলে রাখলেও অন্য প্রান্তে ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মিছিল থামেনি। চোটের কারণে আট নম্বরে নামা অধিনায়ক শান মাসুদ ৩ রানের বেশি করতে পারেননি। মাত্র ৭১ রানেই ৯ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান যখন ইনিংস হারের শঙ্কায়, তখন শেষ উইকেটে মোহাম্মদ আব্বাসকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই শুরু করেন বাবর।
১০ম উইকেটে আব্বাসকে নিয়ে ৪৯ রানের জুটি গড়ে দলকে ১০০ পার করান বাবর। একই সঙ্গে নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের ৩২তম অর্ধশতকও তুলে নেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১০৭ বলে ৯টি চারে ৫৮ রানে অপরাজিত থাকেন বাবর আজম। চা বিরতির পরপরই আব্বাসকে (২৩) এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে পাকিস্তানের ইনিংস ১২০ রানে গুটিয়ে দেন জেইডেন সিলস। ক্যারিবীয়দের হয়ে সিলস মাত্র ২০ রান দিয়ে ৫টি উইকেট শিকার করেন।
এর আগে চতুর্থ দিনের সকালে ৭ উইকেটে ১২৬ রান নিয়ে খেলতে নামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটার শামার জোসেফ (২৭ বলে ৩৮) ও কেমার রোচ (১৮) ইনিংস টেনে নেন ১৮১ রান পর্যন্ত। পাকিস্তানের পেসার মোহাম্মদ আব্বাস ২২ রানে নেন ৫টি উইকেট। প্রথম ইনিংসের ২৯ রানের লিড মিলিয়ে পাকিস্তানকে ২১১ রানের লক্ষ্য দেয় স্বাগতিকেরা।
ম্যাচের প্রথম ইনিংসে শাই হোপের ৯২ ও কাভেম হজের ৮৪ রানে ৩১১ রান তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জবাবে শান মাসুদের সেঞ্চুরিতে (১০৯) ভর করে পাকিস্তানের ইনিংস শেষ হয় ২৮২ রানে। প্রথম ইনিংসে ২৭ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের অলরাউন্ডার জাস্টিন গ্রিভস ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন।
বিশেষ কিছু তথ্য ও রেকর্ড:
এই ম্যাচে খেলা ৪০টি উইকেটের সব কটিই নিয়েছেন দুই দলের পেসাররা, যা টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে মাত্র ষষ্ঠ ঘটনা।
দেশের বাইরে এটি পাকিস্তানের টানা অষ্টম টেস্ট পরাজয়, যা তাদের ইতিহাসে দীর্ঘতম পরাজয়ের ধারা।
আগামী ২ আগস্ট পোর্ট অব স্পেনের কুইন্স পার্ক ওভালে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ম্যাচটি।
নভেম্বর ১৬, ২০২৪
এপ্রিল ৯, ২০২৬
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
বাংলাদেশ | ২৯ জুলাই, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৯ জুলাই, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৯ জুলাই, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ২৯ জুলাই, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৯ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।