এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত রয়েল রিসোর্টের বহুল আলোচিত ‘৫০১ নম্বর কক্ষের’ ঘটনা নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। শনিবার (২০ জুন) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি ওই দিনের ঘটনার বিবরণ ও তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে বিয়ের আদ্যোপান্ত তুলে ধরেন [১]। তাঁর দাবি, রাজনৈতিকভাবে হেনস্তা ও হেয় করার উদ্দেশ্যেই সেদিন ওই ঘটনা ঘটানো হয়েছিল [১]।
রিসোর্টের সেই দিনের ঘটনা
ফেসবুক পোস্টে মামুনুল হক লেখেন, ২০২১ সালের ৩ এপ্রিল ছিল ‘রাষ্ট্রীয় মবসন্ত্রাসের এক ঘৃণ্য কালো দিবস’ [১]। সেদিন তিনি তাঁর স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণাকে নিয়ে রয়েল রিসোর্টের ৫০১ নম্বর কক্ষে অবস্থান করছিলেন [১]। হঠাৎ পুলিশের নেতৃত্বে স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মী ও কতিপয় গণমাধ্যমকর্মীসহ প্রায় শতাধিক ব্যক্তি সেখানে উপস্থিত হন [১]। রিসিপশন থেকে পুরো রিসোর্ট পুলিশ বেষ্টনীতে থাকার খবর পাওয়ার পরপরই তারা জোরপূর্বক তাঁর কক্ষে প্রবেশ করেন এবং বিভিন্ন ডিভাইসের মাধ্যমে একযোগে লাইভ সম্প্রচার শুরু করেন [১]। এ সময় তাঁদের ওপর চড়াও হয়ে নানাভাবে হেনস্তা করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন [১]।
মামুনুল হক আরও জানান, আক্রমণকারীদের হাত থেকে রক্ষায় তিনি তাঁর স্ত্রীকে ওয়াশরুমে আটকে দেন [১]। কিন্তু পরবর্তীতে নারী পুলিশের একটি দল এসে সেখানেও লাইভ সম্প্রচার শুরু করে [১]। অবশ্য জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা দুজনেই নিজেদের বৈবাহিক সম্পর্কের বিষয়টি স্পষ্টভাবে প্রকাশ করেছিলেন এবং তা গণমাধ্যমেও প্রচারিত হয়েছিল [১]।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও জনতার ক্ষোভ
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ঘটনার একপর্যায়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে তাঁদের থানায় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় [১]। লবিতে নামার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, কারণ ততক্ষণে হাজার হাজার প্রতিবাদী মানুষ সেখানে জড়ো হন [১]। মামুনুল হকের দাবি, উত্তেজিত জনতার হাত থেকে বাঁচতে পুলিশ কর্মকর্তারা তাঁর সাহায্য চান [১]। পরে নিজের ফেসবুক আইডির লাইভ অপশন বন্ধ থাকায় সরাসরি জনতার সামনে গিয়ে তিনি বিক্ষুব্ধ জনতাকে শান্ত করেন এবং পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেন [১]।
জান্নাত আরার সঙ্গে বিয়ের বিবরণ
জান্নাত আরার সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কের বিষয়টি স্পষ্ট করে মামুনুল হক জানান, জান্নাত আরা পূর্বে তাঁর এক ঘনিষ্ঠ সহকর্মীর স্ত্রী ছিলেন এবং তাঁদের দুটি সন্তান রয়েছে [১]। পারিবারিক বনিবনা না হওয়ায় তাঁদের পারস্পরিক সম্মতিতে বিচ্ছেদ হয় [১]। পরবর্তীতে জান্নাত আরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে সহযোগিতা চাইলে তিনি বিয়ের প্রস্তাব দেন [১]।
তবে পারিবারিক পরিস্থিতির কারণে অন্য স্ত্রীদের মতো সমতাভিত্তিক অধিকার দেওয়া সম্ভব হবে না—এমন শর্তেই তিনি বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন বলে জানান [১]। জান্নাত আরা স্বেচ্ছায় এই শর্ত মেনে নিলে শরিয়তের বিধান অনুযায়ী তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয় [১]। এ প্রসঙ্গে ফিকহ শাস্ত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি জানান, স্ত্রী যদি স্বেচ্ছায় তাঁর কোনো ওয়াজিব অধিকার ত্যাগ করেন, তবে ইসলামে তা গ্রহণযোগ্য [১]।
বিয়ের পরবর্তী জীবন
বিয়ের পর জান্নাত আরার সামাজিক ও শিক্ষাগত পুনর্বাসনের বিষয়ে মামুনুল হক বলেন, তাঁকে ঢাকার মোহাম্মদপুরে একটি নূরানী কোর্সে ভর্তি করিয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং তিনি সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করেন [১]। পরবর্তীতে তিনি সেলাইসহ বিভিন্ন কাজের প্রশিক্ষণ নেন [১]। প্রথমে ঢাকার একটি বাসায় বোনের সঙ্গে এবং পরে সাবলেটে বসবাস শুরু করেন জান্নাত আরা, যেখানে মামুনুল হক নিয়মিত যাতায়াত ও তাঁর খোঁজখবর রাখতেন [১]।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ৪ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ৪ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ৪ আগস্ট, ২০২৬
নওগাঁ | ৪ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।