এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
নোয়াখালীর সেনবাগে মাদক বিরোধকে কেন্দ্র করে আরাফাত হোসেন ফাহিম (১৬) নামে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্বজন ও এলাকাবাসী। তবে এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক পুলিশ মো. হারুন নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে।
বৃহস্পতিবার(১১ জুন) সন্ধায় নোয়াখালী-চট্টাগ্রাম মহাসড়কের চৌমুহনী কাচারী বাড়ি মসজিদের সামনে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল করে তারা। এ সময় সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এর আগে, বুধবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের দেবিসিংহপুর গ্রামের হাজেরা দিঘী এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহত আরাফাত হোসেন ফাহিম বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার হাজীপুর এলাকার মো. শাহজাহানের ছেলে এবং স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। গ্রেপ্তার হারুন সেনবাগের দেবিসিংহপুর গ্রামের জোড়া বাড়ির জয়নাল আবেদীনের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী দেলোয়ার হোসেন নোবেল জানান, দেবিসিংহপুর গ্রামের হাজেরা দিঘীর পেছনের একটি পোলের ওপর দীর্ঘদিন ধরে হারুন, জাহাঙ্গীর, আবুল খায়ের ও মমিনের নেতৃত্বে মাদকের ব্যবসা চলত। পাঁচ-ছয় দিন আগে মান্না নামে এক মাদকসেবীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি হারুনের সম্পৃক্ততার কথা জানান। এরপর স্থানীয় কয়েকজন তরুণ ওই এলাকায় মাদক বিক্রি ও সেবনের প্রতিবাদ জানিয়ে পাহারার ব্যবস্থা করেন। এতে কয়েকদিন ধরে সেখানে মাদকের আড্ডা বন্ধ ছিল।
তিনি আরও জানান, বুধবার রাত ৮টার দিকে আলী হায়দার ফাহিম (১৮), রিফাত (২০), সাকিবসহ কয়েকজন বায়তুন আমান মসজিদসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় হারুনের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় আলী হায়দার ফাহিমের বুকে ছুরিকাঘাত করা হয়, রিফাতের হাতের রগ কেটে দেওয়া হয় এবং সাকিবের ডান হাতে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, নিহত আরাফাত হোসেন ফাহিমের নানার বাড়ি দেবিসিংহপুর গ্রামের বেলাল মাস্টার বাড়িতে। পাশাপাশি তার খালার বাড়িও রয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় তিনি নিজ বাড়ি থেকে নানার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। পরে নানার বাড়ি থেকে খালার বাড়িতে যাওয়ার পথে হাজেরা দিঘী এলাকায় একা পেয়ে হারুন, জাহাঙ্গীর, আবুল খায়ের, মমিনসহ ৭-৮জন তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। বিশেষ করে তার বাম পায়ে কুপিয়ে গুরুত্বর আঘাত করা হলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন।
নিহতের বাবা মো. শাহজাহান বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে প্রথমে তার নানার বাড়িতে নেওয়া । সেখানে গোসল করিয়ে এলাকাবাসীকে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। পরে নিজ বাড়িতে নিয়ে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, আমার আর কিছু বলার নেই। আমি আমার ছেলেকে আল্লাহর কাছে আমানত করে দিলাম।
বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামসুজ্জামান বলেন, ওই স্কুলছাত্রের মরদেহ বাড়িতে আনার পথে এলাকাবাসী বিক্ষোভ করে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সন্ধ্যায় জানাজা শেষে মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
ফেব্রু ১৫, ২০২৫
জুলাই ১০, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
বান্দরবান | ২৮ জুন, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বান্দরবান | ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বান্দরবান | ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।