চরভদ্রাসন বাজারে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে ‘মার্কিং’ ও নিয়মিত অভিযানের দাবি

নুরুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টারঃ
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২:০৮ পিএম
শেয়ার করুন:
চরভদ্রাসন বাজারে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে ‘মার্কিং’ ও নিয়মিত অভিযানের দাবি

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন বাজারে শৃঙ্খলা ও পরিচ্ছন্নতা ফিরিয়ে আনতে ফুটপাত ও অলিগলি দখলমুক্ত রাখার দাবি জোরালো হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বাজার বণিক সমিতি এবং কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর যৌথ উদ্যোগে বাজারে ইতিবাচক পরিবর্তন এলেও তা স্থায়ী রূপ দিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

জানা গেছে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জুলহাস হোসেন সৌরভ, চরভদ্রাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফার আলী এবং বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আলমগীর মোল্লার দিকনির্দেশনা ও ক্যাবের ধারাবাহিক প্রচারণায় বাজারে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসে। ফুটপাত ও চলাচলের পথ আংশিক দখলমুক্ত হওয়ায় সাধারণ ক্রেতা ও পথচারীদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছিল।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রাথমিক তৎপরতার পর বাজারে আবারও ধীরে ধীরে পুরোনো চিত্র ফিরতে শুরু করেছে। অনেক ব্যবসায়ী দোকানের সামনের ফুটপাত ও চলাচলের জায়গা দখল করে পণ্যসামগ্রী রাখছেন। এতে পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটছে। ফলে কেবল সাময়িক ব্যবস্থা নয়, এর একটি দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী সমাধান জরুরি হয়ে পড়েছে।

সচেতন মহলের অভিমত, বাজারের ফুটপাত ও চলাচলের জায়গাগুলো নির্দিষ্ট রঙ দিয়ে ‘মার্কিং’ (চিহ্নিত) করে দেওয়া প্রয়োজন। এতে করে কোন অংশ পথচারীদের হাঁটার জন্য এবং কতটুকু সীমানা ব্যবসার কাজে ব্যবহারযোগ্য—তা সুস্পষ্ট হবে। একই সঙ্গে চিহ্নিত সীমানা যাতে কেউ দখল করতে না পারে, সেজন্য প্রশাসনের নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে।

এছাড়া যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধ ও চলাচলের পথ উন্মুক্ত রাখতে ব্যবসায়ীদেরও আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এককালীন অভিযানের বদলে নিয়মিত তদারকি, ফুটপাতে সুনির্দিষ্ট সীমানা চিহ্নিতকরণ এবং ব্যবসায়ীদের সচেতনতা—এই তিন বিষয়ের সমন্বয় ঘটলেই চরভদ্রাসন বাজারকে স্থায়ীভাবে দখলমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।