এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
চরম দারিদ্র্যের কশাঘাতে পড়াশোনা ছেড়ে পরিবারের সঙ্গে ঢাকায় পাড়ি জমানো ফরিদপুরের সেই দুই বোন কেয়া ও আয়শার পাশে দাঁড়িয়েছে নগরকান্দা উপজেলা প্রশাসন। ‘দৈনিক খোলাচোখ’ পত্রিকায় তাদের ঝরে পড়া নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রশাসনের সহায়তায় তারা বিদ্যালয়ে ফিরেছে এবং তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে খাদ্য সহায়তা ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বড় কাজুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী কেয়া ও তৃতীয় শ্রেণির আয়শার হাতে খাতা-কলমসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ এবং খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ চুন্নু ফকিরের বিশেষ উদ্যোগে এই মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়। প্রশাসনের এমন সময়োপযোগী পদক্ষেপে কেয়া-আয়শার পরিবার, বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং স্থানীয় এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি ও আনন্দ ফিরে এসেছে।
জানা যায়, তীব্র আর্থিক সংকট ও খাদ্য অনিশ্চয়তার কারণে পড়াশোনা বন্ধ করে মায়ের সঙ্গে ঢাকায় চলে যেতে বাধ্য হয়েছিল দুই বোন। বিষয়টি নিয়ে ‘দৈনিক খোলাচোখ’ পত্রিকায় সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে তা স্থানীয় প্রশাসনের নজরে আসে। প্রশাসনের তৎপরতায় দুই বোনকে আবারও তাদের প্রিয় বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনা হয়। দীর্ঘদিন পর তাদের উপস্থিতিতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসে।
বড় কাজুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মিজান মুকুল বলেন, “কেয়া ও আয়শা আবার বিদ্যালয়ে ফিরে এসেছে—এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য উপজেলা প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ। পাশাপাশি মানবিক এই বিষয়টি পত্রিকায় তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় দৈনিক খোলাচোখের সম্পাদক ও প্রকাশক মাহবুব আহাদ এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।”
কেয়ার সঙ্গে স্মৃতিচারণ করে প্রধান শিক্ষক আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, অতীতে ভালো ফলাফলের জন্য উপহার পাওয়া মাত্র ১০ টাকা দামের একটি কানের দুল হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছিল কেয়া। শিক্ষকের ভালোবাসার স্মৃতি হিসেবে দুলটি তার কাছে ছিল অত্যন্ত মূল্যবান। সেই স্নেহধন্য শিক্ষার্থীকে আবার শ্রেণিকক্ষে পেয়ে শিক্ষকরা অত্যন্ত আনন্দিত।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ চুন্নু ফকির বলেন, “দারিদ্র্যের কারণে কোনো শিশুর শিক্ষাজীবন থমকে যাওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। কেয়া ও আয়শা আবার বিদ্যালয়ে ফিরেছে, এটি অত্যন্ত ইতিবাচক। ভবিষ্যতে তাদের পড়াশোনা যেন নির্বিঘ্নে চলতে পারে, সে ব্যাপারে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ সার্বক্ষণিক নজর রাখবে।”
এদিকে, কেয়া ও আয়শার শিক্ষাজীবন যেন অর্থাভাবের কারণে আবারও অনিশ্চয়তায় না পড়ে, সে বিষয়ে প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় শিক্ষানুরাগীরা।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ফুটবল | ২৭ আগস্ট, ২০২৬
আন্তর্জাতিক | ২৭ আগস্ট, ২০২৬
আন্তর্জাতিক | ২৭ আগস্ট, ২০২৬
নওগাঁ | ২৬ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৬ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।