এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আলাদাভাবে কোনো আর্থিক অনিয়মের তদন্ত করবে না বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে ব্যাংক ও আর্থিক খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চলমান তদন্তে যদি তাঁর কিংবা অন্য কারো অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
তিনি বলেন, মো. সাহাবুদ্দিন সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাই তাঁকে কেন্দ্র করে আলাদা কোনো অনুসন্ধান বা তদন্ত পরিচালনার পরিকল্পনা বাংলাদেশ ব্যাংকের নেই। দেশের ব্যাংক ও আর্থিক খাতে সুশাসন নিশ্চিত করাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মূল লক্ষ্য। বর্তমানে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সংস্কারের অংশ হিসেবে বেশ কিছু তদন্ত চলমান রয়েছে। এসব তদন্তে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক কোনো অনিয়মে ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা উঠে এলে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
**প্রেক্ষিত ও ইসলামী ব্যাংকের ঋণ অনিয়ম:**
সম্প্রতি বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) হাইকোর্টে একটি প্রতিবেদন দাখিল করে। সেখানে উল্লেখ করা হয়, ইসলামী ব্যাংকের প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকার ঋণ ও শেয়ার অনিয়মের সঙ্গে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও তাঁর প্রতিষ্ঠান 'জেএমসি বিল্ডার্স' সরাসরি জড়িত ছিল। প্রতিবেদনটি আমলে নিয়ে আদালত এ বিষয়ে অনুসন্ধান করতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলা সংশ্লিষ্ট আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনি বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামী বুধবার বিষয়টির শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।
বিএফআইইউর প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৭ সালে জেএমসি বিল্ডার্সের মনোনীত পরিচালক হিসেবে ইসলামী ব্যাংকে যোগ দেন মো. সাহাবুদ্দিন এবং পরবর্তীতে তিনি ব্যাংকটির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তিনি এ পদে বহাল ছিলেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাঁর দায়িত্বপালনকালে জেএমসি বিল্ডার্সসহ ২৪টি প্রতিষ্ঠান ইসলামী ব্যাংক থেকে মোট ৮০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়, যা এখনো অপরিশোধিত রয়েছে।
মার্চ ২৬, ২০২৪
ডিসেম্বর ২৩, ২০২৫
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
বান্দরবান | ২৮ জুন, ২০২৫
মাগুরা | ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
জাতীয় | ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বান্দরবান | ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।