এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের পরবর্তী সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে কাকে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে—তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও জনমনে জোর আলোচনা চলছে। বিএনপির শীর্ষ চার নেতাকে ঘিরে আলোচনা হলেও দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা ও ত্যাগের মূল্যায়নে পছন্দের শীর্ষে উঠে এসেছে দলটির মহাসচিব এবং বর্তমান সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সুশীল সমাজের মতে, দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুলের আলোচনায় এগিয়ে থাকার পেছনে মূলত ৩টি বিশেষ কারণ নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে:
১. শালীন, সহনশীল ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি
দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে মির্জা ফখরুল মার্জিত ব্যক্তিত্ব, পরিমিত বক্তব্য এবং বিরোধী মতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণের জন্য সুপরিচিত। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও তিনি কখনো প্রতিপক্ষের সঙ্গে অশালীন ভাষা ব্যবহার করেননি। এছাড়া, দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোনো প্রমাণিত অভিযোগ নেই। রাষ্ট্রপতি একটি অরাজনৈতিক ও নিরপেক্ষ সাংবিধানিক পদ হওয়ায় তার এই পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি অন্যতম বড় যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
২. দলীয় সংকটে ধীরস্থির নেতৃত্ব ও আত্মত্যাগ
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপির সবচেয়ে কঠিন সময়ে তিনি শক্ত হাতে দলের হাল ধরেছিলেন। তৎকালীন চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কারাবাস এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিদেশে অবস্থানের সময় তিনি শত শত মামলা ও একাধিকবার কারাবরণ করেও নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় নিজের ত্যাগের বিনিময়ে তিনি নেতাকর্মীদের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
৩. জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা
রাষ্ট্রপতি পদের মূল শক্তি হলো রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে অভিভাবকের ভূমিকা পালন করা। মির্জা ফখরুল দীর্ঘদিন ধরে সংলাপ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির পক্ষে কথা বলছেন। দেশের সুশীল সমাজ, পেশাজীবী সংগঠন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এবং বিভিন্ন কূটনৈতিক মহলের সঙ্গে তার রয়েছে গভীর ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক। যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি ফুটিয়ে তুলতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।
সংক্ষেপে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
জন্ম ও পরিবার: ১৯৪৮ সালে ঠাকুরগাঁওয়ে জন্ম। বাবা মরহুম রুহুল আমিন (চখা মিয়া) ছিলেন সাবেক কৃষি প্রতিমন্ত্রী।
শিক্ষকতা ও পেশাজীবন: ১৯৭২ সালে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকা কলেজের অর্থনীতি বিভাগে শিক্ষকতা শুরু করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন সরকারি কলেজে অধ্যাপনার পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
রাজনীতি ও জনপ্রতিনিধিত্ব: ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তৎকালীন সরকারে তিনি প্রথমে কৃষি মন্ত্রণালয় এবং পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ময়মনসিংহ | ২৬ জুলাই, ২০২৬
ক্রিকেট | ২৬ জুলাই, ২০২৬
নাটোর | ২৬ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।