এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
বান্দরবানের রুমা উপজেলার গালেঙ্গ্যা ইউনিয়নের অত্যন্ত দুর্গম অংলাই পাড়ায় ২১ জন শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সর্দি, কাশি ও জ্বরসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত স্থানীয় ৬২ জন সাধারণ মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধপত্র প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে রুমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. জামিলা হোসাইন চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণ ও বন্যার পর এলাকায় হাম রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে জরুরি ভিত্তিতে গত ২০ জুলাই ছয় সদস্যের একটি বিশেষ মেডিকেল টিম গঠন করা হয়। গঠিত এই বিশেষ টিমে মেডিকেল অফিসার ডা. জামিলা হোসাইন চৌধুরীর নেতৃত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ডা. অভিজিৎ তঞ্চঙ্গ্যা, সিনিয়র স্বাস্থ্য সহকারী সুইক্রাচিং মার্মাসহ অন্য স্বাস্থ্যকর্মীরা।
অভিযানের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ডা. জামিলা হোসাইন চৌধুরী জানান, বুধবার (২২ জুলাই) সকালে রুমা বাজার ঘাট থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় প্রায় দুই ঘণ্টার নদীপথ পাড়ি দিয়ে তারা গালেঙ্গ্যার একটি ঘাটে পৌঁছান। সেখান থেকে পাহাড়ি আঁকাবাঁকা ও উঁচু-নিচু পথ ধরে প্রায় এক ঘণ্টা হেঁটে দুপুরে দুর্গম অংলাই পাড়ায় পৌঁছায় মেডিকেল টিমটি।
তিনি আরও জানান, পাড়ায় পৌঁছে নতুন করে কোনো শিশু হামে আক্রান্ত পাওয়া যায়নি। কারণ, পূর্বে যারা আক্রান্ত হয়েছিল, তারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে আগেই সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছে। তবে অংলাই পাড়ায় অবস্থানরত শিশুদের ইপিআই কর্মসূচির আওতায় এনে হামের টীকাসহ অন্যান্য টিকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা প্রদানসহ সর্দি-কাশি, জ্বর ও শরীর ব্যথায় আক্রান্ত ৬২ জন পাহাড়ি বাসিন্দাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ দেওয়া হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ আল হাসান বলেন, “বন্যা-পরবর্তী সময়ে পাহাড়ি দুর্গম এলাকায় হামের প্রাদুর্ভাব রোধে আমরা তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিয়েছি। দুর্গম অংলাই পাড়ায় বিশেষ মেডিকেল টিম পাঠিয়ে শিশুদের টীকা এবং সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া সম্ভব হয়েছে।”
এদিকে অংলাই পাড়া প্রতিষ্ঠার পর এবারই প্রথম কোনো মেডিকেল অফিসার বা প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তার পাড়ায় আগমন ঘটল বলে জানান স্থানীয়রা। গালেঙ্গ্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেনরত ম্রো এবং অংলাই পাড়ার মুরুব্বি মানচ্যং ম্রো অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, “পাড়া প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত কোনো মেডিকেল অফিসার কিংবা উর্ধ্বতন কর্মকর্তা আমাদের পাড়ায় আসেননি। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের। স্বাস্থ্য বিভাগের এই উদ্যোগের মতো ভবিষ্যতেও আমাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষিসহ সার্বিক উন্নয়নের জন্য সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা পাড়াটি পরিদর্শনে আসবেন বলে আমরা আশাবাদী।”
জুলাই ১২, ২০২৫
ডিসেম্বর ২৪, ২০২৪
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
বান্দরবান | ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।