ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে স্বনামধন্য ও ঔতিহ্যবাহী কাজী সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজের ৫ শিক্ষক ও ২ কর্মচারীর বিরুদ্ধে চুরি ও ডাকাতি মামলা দিয়ে হয়রানি করার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করছে কলেজটির শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা।
২ জুলাই দুপুরে বোয়ালমারী মহম্মদপুর সড়কের সামনে মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করা হয়।
শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন উক্ত কলেজের সাবেক (৫ আগষ্টের পর ফ্যাসিবাদের দোসর হিসাবে সাময়িক বহিষ্কৃত) অধ্যক্ষ মোঃ ফরিদ আহমেদ।
মানববন্ধনে কলেজটির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. হোসনেয়ারা বেগম বলেন, দুর্নীতির দায়ে সাময়িক বহিষ্কৃত ফ্যাসিবাদের দোসর অধ্যক্ষ মোঃ ফরিদ আহমেদ কলেজের শিক্ষক কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের, হেনস্থা ও সম্মানহানি করে কলেজের শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করছেন।
তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী শাসনামলে তিনি তার নিজ জেলা গোপালগঞ্জ এবং বর্তমানে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামীলীগের প্রভাব খাটিয়ে কলেজে একচ্ছত্রভাবে আধিপত্য বিস্তার করে কলেজ তহবিলের অর্থ নিয়ম বহির্ভূতভাবে উত্তোলণপূর্বক আওয়ামীলীগের বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করেছিলেন এবং কলেজ তহবিলের বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেছিলেন।
তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রমাণিত হওয়ায় তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। তারপর তিনি কিছুদিন আত্মগোপনে থেকে পরবর্তীতে ফিরে এসে অত্র কলেজের শিক্ষক কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের,হেনস্থা ও সম্মানহানি করে কলেজের শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করছেন।
মানববন্ধনে অংশ নেন এবং বক্তব্য রাখেন কলেজের প্রভাসক সৈয়দা দিল আশরাফি,সহযোগী অধ্যাপক মোঃ আ: মান্নান, আজাহার আলী প্রমুখ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম রফিবুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি আমি অবগত রয়েছি। আমি স্বল্প সময়ের মধ্যে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে সাথে নিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।