এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
প্রবাসে থেকেও জন্মভূমির মানুষের সুখ-দুঃখে যিনি সবসময় সাড়া দেন, স্থানীয়দের কাছে যিনি ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ নামে পরিচিত—সেই মরিশাস প্রবাসী সমাজসেবক, মানবিক ব্যক্তিত্ব ও ঈশান কামিনী কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক আকাশ মিয়া আবারও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার ধলাইরচর মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত ইকা তালুকদারের শারীরিক প্রতিবন্ধী কন্যা নীলা (১৫) গত ১৪ জুলাই নিজ বাড়িতে অসাবধানতাবশত গরম তরকারিতে পা ঝলসে গুরুতর আহত হন। পরিবারের আর্থিক সংকটের কারণে কয়েকদিন বাড়িতেই চিকিৎসা চললেও অবস্থার অবনতি হলে গত শুক্রবার সকাল ১০টায় তাকে আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
নীলার অসহায় অবস্থার খবর মরিশাসে অবস্থানরত আকাশ মিয়ার কাছে পৌঁছালে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে তার চিকিৎসার জন্য ব্যক্তিগত উদ্যোগে আর্থিক সহায়তা পাঠান।
শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন নীলার মা সাজেদার হাতে সেই অনুদান তুলে দেওয়া হয়।
আকাশ মিয়ার পক্ষ থেকে ধলাইরচর এলাকার সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী মারুফ শেখ অনুদান প্রদান করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাদ্দাম ও আইয়ুব আলী।
মরিশাস প্রবাসী আকাশ মিয়া বলেন, মানুষের সেবা করাই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ। আল্লাহ আমাকে যতটুকু সামর্থ্য দিয়েছেন, তা দিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি। নীলার দুর্ঘটনার খবর শুনে খুব কষ্ট পেয়েছি। সে একজন প্রতিবন্ধী ও পিতৃহীন মেয়ে। নিজের দায়িত্ববোধ থেকেই তার চিকিৎসায় সহযোগিতা করেছি। মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করি, তিনি যেন নীলাকে দ্রুত সুস্থতা দান করেন।
সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী মারুফ শেখ বলেন, আকাশ ভাই প্রচারের জন্য নয়, মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই মানুষের পাশে দাঁড়ান। অসহায় মানুষের কষ্টের খবর পেলেই তিনি সহযোগিতার ব্যবস্থা করেন। নীলার চিকিৎসায় এই সহায়তাও তার মানবসেবারই আরেকটি উদাহরণ।
স্থানীয়রা জানান, এটি আকাশ মিয়ার প্রথম মানবিক উদ্যোগ নয়। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকার অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে রয়েছেন। এর আগে তিনি নীলার পরিবারের ঘর নির্মাণে সহযোগিতা করেছেন। এছাড়াও বিভিন্ন মসজিদ ও মাদ্রাসায় নিয়মিত আর্থিক অনুদান, অসহায় পরিবারের মাঝে চাল-ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা এবং শিক্ষার্থীদের সহযোগিতাসহ নানা সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রবাসে অবস্থান করেও জন্মভূমির মানুষের কল্যাণে তার ধারাবাহিক মানবিক কর্মকাণ্ড স্থানীয়দের কাছে ব্যাপক প্রশংসিত।
নীলার মা সাজেদা আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, আমার মেয়ের চিকিৎসার জন্য আকাশ মিয়া যে সহযোগিতা করেছেন, তা আমাদের জন্য অনেক বড় উপকার। আল্লাহ যেন তাকে সুস্থ রাখেন, দীর্ঘায়ু দান করেন এবং সবসময় অসহায় মানুষের পাশে থাকার তৌফিক দান করেন।
স্থানীয়দের মতে, মানুষের প্রকৃত পরিচয় তার মানবিকতায়। প্রবাসে থেকেও আকাশ মিয়া যেভাবে নীরবে অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে কাজ করে যাচ্ছেন, তা মানবসেবার এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। তার এই মানবিক উদ্যোগ সমাজে সহমর্মিতা, দায়িত্ববোধ ও সেবার সংস্কৃতিকে আরও শক্তিশালী করবে।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২৫ জুলাই, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ২৫ জুলাই, ২০২৬
ক্যাম্পাস | ২৫ জুলাই, ২০২৬
ভারত | ২৫ জুলাই, ২০২৬
নেত্রকোনা | ২৫ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।