এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
আগামী বছরের (২০২৭) প্রথম দিকেই ইউনিয়ন পরিষদসহ সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, এই নির্বাচন হবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ এবং এতে দলীয় পরিচয়ের ওপর ভিত্তি করে বাড়তি কোনো সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থাকবে না।
গত বুধবার (২২ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান-মেম্বার অ্যাসোসিয়েশন’ কর্তৃক আয়োজিত এই সভার মূল প্রতিপাদ্য ছিল—‘স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তৃণমূল জনপ্রতিনিধি ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বারদের করণীয়’।
বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোকপাত করেন:
নিরপেক্ষ নির্বাচন ও জনসমর্থন:
আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি, জামায়াত বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের পরিচয়ে কেউ বাড়তি সুবিধা পাবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, "জনগণের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করেই জনপ্রতিনিধিদের নির্বাচিত হতে হবে।"
শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ও গণতন্ত্র:
প্রকৃত গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিই হলো স্থানীয় সরকার। এটি শক্তিশালী না হলে রাষ্ট্র কিংবা গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি সুদৃঢ় হতে পারে না। উন্নত দেশগুলোতে স্থানীয় সরকারই প্রশাসন, স্বাস্থ্যসেবা, স্থানীয় বিচারব্যবস্থা ও জনসেবার সিংহভাগ পরিচালনা করে। বাংলাদেশেও অনুরূপ টেকসই কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
জনপ্রতিনিধিদের ক্ষমতায়ন:
কেবল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর নির্ভর করে স্থানীয় সরকার পরিচালিত হলে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ সম্ভব নয়। তাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের যথাযথ ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার পাশাপাশি উন্নয়ন কার্যক্রমে তৃণমূল জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করার ওপর জোর দেন তিনি।
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা:
ফ্যামিলি কার্ডসহ সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়নে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের যুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়। এতে করে প্রকৃত উপকারভোগী নির্বাচন যেমন সহজ হবে, তেমনি সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতাও নিশ্চিত হবে।
সম্মানী ভাতা বৃদ্ধির আশ্বাস:
নিজের পৌরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, "মাঠপর্যায়ের জনপ্রতিনিধিদের সীমাবদ্ধতা ও কষ্টের বিষয়গুলো আমার জানা আছে। তাঁদের বর্তমান সম্মানী ভাতা অপ্রতুল। এটি একটি সম্মানজনক পর্যায়ে উন্নীত করার বিষয়ে আমি ব্যক্তিগতভাবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব।"
জুন ১৪, ২০২৬
এপ্রিল ১২, ২০২৬
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ফরিদপুর | ২৩ জুলাই, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৩ জুলাই, ২০২৬
যশোর | ২৩ জুলাই, ২০২৬
রাজনীতি | ২৩ জুলাই, ২০২৬
জাতীয় | ২৩ জুলাই, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।