এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
স্বৈরাচারী শাসনের পতনের পর দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া একটি গোষ্ঠী বিদেশে বসে আত্মসাৎ করা অর্থ ব্যবহার করে জুলাই বিপ্লবকে কলঙ্কিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম। তিনি বলেন, "তারা পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচারের মাধ্যমে জুলাইয়ের বীরদের খলনায়ক হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছে।"
রোববার (১৯ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত ‘দ্বিতীয় জুলাই বিপ্লব আন্তর্জাতিক সম্মেলন (আইসিজেআর-২ ২০২৬)’-এ বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু), রিসার্চ অ্যান্ড ইন্টিগ্রেটেড থটস (আরআইটি), কানাডার ইউনিভার্সিটি অব রেজিনা, সিঙ্গাপুরের নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি এবং ইয়ুথ ফর বেটার ফিউচার সোসাইটি যৌথভাবে এই সম্মেলনের আয়োজন করে।
সাদিক কায়েম তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, অপপ্রচারকারীরা ভাবছে মানুষকে অতীতের ঘটনাগুলো ভুলিয়ে দেওয়া যাবে। কিন্তু বিগত দেড় দশকে সংঘটিত গুম, খুন, মানবাধিকার লঙ্ঘন, রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুণ্ঠন এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের নির্মম স্মৃতি দেশের মানুষ কখনোই ভুলবে না। দীর্ঘ সময় ধরে একটি স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা মানুষের কণ্ঠরোধ করে নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার থেকে জনগণকে বঞ্চিত করেছিল। সেই পুঞ্জীভূত ক্ষোভ থেকেই জুলাই বিপ্লবের জন্ম হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জুলাইয়ের আন্দোলন ছিল নিপীড়ন ও একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে একটি ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের মতোই এ দেশের মানুষ আবারও অধিকার রক্ষায় জেগে উঠেছে। সেই অর্থে জুলাই বিপ্লব আমাদের দীর্ঘ জাতীয় সংগ্রামেরই এক ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা।
এই বিপ্লবকে সর্বজনীন আখ্যা দিয়ে ডাকসু ভিপি বলেন, এ আন্দোলনে ছাত্র, শিক্ষক, রিকশাচালক, শ্রমিক, কৃষক, ব্যবসায়ী, শিল্পী ও রাজনৈতিক কর্মীসহ সব শ্রেণি-পেশার সাধারণ মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। তাই জুলাই কোনো নির্দিষ্ট দল বা সংগঠনের আন্দোলন নয়; এটি ছিল সমগ্র জনগণের বিপ্লব।
বিপ্লব-পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, কোনো বিপ্লবের পরই সব প্রত্যাশা রাতারাতি পূরণ হয় না। ফলে মানুষের মনে কিছুটা হতাশা থাকা স্বাভাবিক। তবে সেই হতাশা জুলাই বিপ্লবের গুরুত্বকে খাটো করতে পারে না। জুলাই কেবল ৩৬ দিনের একটি আন্দোলন ছিল না; এটি মূলত ন্যায়বিচার, সংস্কার ও জাতীয় পুনর্গঠনের একটি দীর্ঘ যাত্রার সূচনা।
একটি গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে সাদিক কায়েম বলেন, "জুলাই সবার এবং এটি আমাদের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের প্রতীক। এখন বিভেদের সময় নয়; বরং অর্জিত সাফল্য রক্ষা করে একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার সময়।"
তিনি সতর্ক করে বলেন, পতিত স্বৈরাচার ও তাদের দোসররা আবারও রাজনৈতিক অঙ্গনে ফিরে আসার চেষ্টা করছে। তবে জনগণের ত্যাগ, সাহস ও রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই সাফল্য কেউ ছিনিয়ে নিতে পারবে না। জুলাইয়ের চেতনা আমাদের ঐক্যবদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রেরণা হয়ে থাকবে।
জুলাই ১৯, ২০২৬
নভেম্বর ৩০, ২০২৪
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ফরিদপুর | ১৮ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
নওগাঁ | ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
নোয়াখালী | ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বরিশাল | ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।