এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায় ও জানাজায় ‘প্রতিশোধের’ প্রতীক হিসেবে লাল পতাকা হাতে যোগ দিয়েছেন হাজারো শোকাহত সমর্থক[1][2]। শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানী তেহরানে খামেনির জানাজায় অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষের হাতে এই লাল পতাকা শোভা পেতে দেখা যায়[1][2]।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ফেলো মোহাম্মদ ইসলামি বলেন, আয়াতুল্লাহ খামেনির অনুসারীরা প্রতিশোধের প্রতীক হিসেবে এই লাল পতাকা তৈরি করেছেন। প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে থাকাদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে তারা ইরান সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছেন।
মোহাম্মদ ইসলামি আরও উল্লেখ করেন, প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা কেবল একজন সাধারণ রাষ্ট্রপ্রধানের মতো ব্যক্তি ছিলেন না; বরং ইরানি জনগণ ও তাঁর সমর্থকদের কাছে তাঁর অবস্থান ছিল অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ও শ্রদ্ধার।
তীর্থযাত্রীদের জন্য খুলে দেওয়া হলো ৫ হাজার স্কুল
এদিকে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিতে দেশ-বিদেশ থেকে আসা তীর্থযাত্রী ও সাধারণ মানুষের আবাসনের জন্য অনন্য এক উদ্যোগ নিয়েছে ইরান সরকার[3]। এ লক্ষ্যে দেশজুড়ে ৫ হাজারের বেশি স্কুল খুলে দেওয়া হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইএসএনএ-এর এক প্রতিবেদনে দেশটির শিক্ষামন্ত্রীর বরাত দিয়ে জানানো হয়, তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ৫ হাজারের বেশি স্কুল এবং প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার শ্রেণিকক্ষ তীর্থযাত্রীদের আশ্রয়ের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, সর্বোচ্চ নেতার জানাজায় অংশ নিতে তেহরানে এক কোটিরও বেশি মানুষের সমাগম হতে পারে[2]। এছাড়া খামেনির এই শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতায় যোগ দিতে বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধিরা ইরানে উপস্থিত হয়েছেন[4][5]।