এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
গ্রুপপর্বের কোনো ম্যাচে না হেরেও নাটকীয় সমীকরণের বেড়াজালে পড়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে ইরানকে[1][4]। গ্রুপ 'জি'-এর তিনটি ম্যাচেই ড্র করায় শেষ ৩২-এর নকআউট পর্বে যাওয়ার জন্য সেরা আটটি তৃতীয় স্থানাধিকারী দলের একটি হওয়ার অপেক্ষায় ছিল তারা[1][4]। কিন্তু অস্ট্রিয়া ও আলজেরিয়ার মধ্যকার গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচটি নাটকীয়ভাবে ৩-৩ গোলে ড্র হওয়ায় কপাল পোড়ে ইরানের[1][4]। অস্ট্রিয়ার শেষ মুহূর্তের গোলে ম্যাচটি ড্র হওয়ায় নবম স্থানে থেকে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যায় পারসিয়ানরা[4]। নাটকীয় এই ম্যাচ ও ইরানের বিদায় নিয়ে ইতিমধ্যেই ফিক্সিংয়ের গুঞ্জনসহ নানা জল্পনা ডালপালা মেলেছে[1]।
এরই মধ্যে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তার একটি মন্তব্য[3]। যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের প্রধান মার্কওয়েন মুলিন সংবাদমাধ্যমকে জানান, ইরানের বিদায়ে তিনি অত্যন্ত স্বস্তি পেয়েছেন[2]।
এক ব্রিফিংয়ে মুলিন বলেন, "ওরা বিদায় নিয়েছে এবং আর মার্কিন মাটিতে ফিরবে না জেনে আমি সত্যিই আনন্দিত[1][2]। আমরা তাদের ভিসা বাতিল করতে পেরেছি এবং তারা চলে যাচ্ছে জেনে আমি এতটাই খুশি হয়েছিলাম যে, হয়তো একটা-দুটো গান গেয়েছি, কিংবা খুশিতে একটু নেচেও উঠেছি[1][2][3]।" তিনি আরও দাবি করেন, টুর্নামেন্টের অন্য কোনো নির্দিষ্ট দলের পেছনে মার্কিন নিরাপত্তা বাহিনীকে এত বেশি সময় ও শ্রম দিতে হয়নি, যতটা দিতে হয়েছে ইরানের পেছনে[2][5]।
মূলত দুই দেশের রাজনৈতিক ও সামরিক বৈরিতার প্রভাব পড়েছে খেলার মাঠেও[1][2][3]। সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যকার উত্তেজনার জেরে ইরানের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া নিয়েই একসময় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল[1][3]। শেষ পর্যন্ত তারা অংশ নিলেও মার্কিন সরকার দলটির ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে[3]। অ্যারিজোনায় ইরানের বেস ক্যাম্প করার কথা থাকলেও নিরাপত্তার অজুহাতে তাদের ক্যাম্প করতে বাধ্য করা হয় মেক্সিকোর সীমান্ত শহর টিজুয়ানায়[1][2][3]। ম্যাচের আগের দিন কঠোর নজরদারির মধ্যে তাদের যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে প্রবেশ করতে দেওয়া হতো এবং ম্যাচ শেষ হওয়া মাত্রই আবার মেক্সিকোতে ফেরত পাঠানো হতো[1][2][3]।
মার্কিন প্রশাসনের এমন আচরণকে 'অন্যায্য ও নিপীড়নমূলক' বলে আখ্যা দিয়েছেন ইরানের প্রধান কোচ আমির ঘালেনোই[1][3]। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, "এই বিশ্বকাপে আমরাই ছিলাম সবচেয়ে নিপীড়িত দল[1][3]। যুক্তরাষ্ট্র আমাদের সঙ্গে অত্যন্ত বৈষম্যমূলক আচরণ করেছে। প্রস্তুতির জন্য স্কোয়াডের যে ধরনের অনুশীলনের প্রয়োজন, আমাদের তার অর্ধেকেরও কম সুযোগ দেওয়া হয়েছে[3]।"
একই সুর শোনা গেছে দলটির তারকা স্ট্রাইকার ও অধিনায়ক মেহদি তারেমির কণ্ঠেও[1][3]। তিনি বলেন, "এই ধরনের রাজনৈতিক ও মানসিক চাপ বিশ্বকাপের সব আনন্দই ম্লান করে দেয়[3]। আমরা পা রাখার পর থেকেই অবিরত সেই চাপ অনুভব করেছি[3]।"
এদিকে মার্কিন কর্মকর্তার এমন আপত্তিকর মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন[6]। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, মার্কিন কর্মকর্তাদের এমন বৈরী আচরণ এবং বিদ্বেষমূলক মন্তব্য নতুন কিছু নয়[6]। বৈষম্যহীন ক্রীড়াঙ্গন বজায় রাখতে ফিফাকে ভবিষ্যতে বিশ্বকাপ আয়োজক দেশগুলোর জন্য সম-আচরণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে তারা[3]।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ৩০ জুন, ২০২৬
মুন্সীগঞ্জ | ৩০ জুন, ২০২৬
নওগাঁ | ৩০ জুন, ২০২৬
ফরিদপুর | ৩০ জুন, ২০২৬
ঢাকা | ৩০ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।