এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও সেই চিরচেনা ‘৭-১’ গোলের স্মৃতি ফিরিয়ে আনল জার্মানি। গতিময় জার্মান মেশিনের আক্রমণাত্মক ফুটবলের সামনে স্রেফ উড়ে গেল টুর্নামেন্টের নবাগত দল কুরাসাও। প্রথমার্ধে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত ৭-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে হেরে মাঠ ছাড়তে হয়েছে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে আসা দলটিকে।
ম্যাচে জার্মানির হয়ে জোড়া গোল করেন কাই হাভার্টজ। এছাড়া একটি করে গোল পেয়েছেন ফেলিক্স এনমেচা, নিকো শ্লোটারবেক, জামাল মুসিয়ালা, লার্স ব্রাউন ও ডেনিজ উনদাভ। কুরাসাওয়ের পক্ষে সান্ত্বনাসূচক একমাত্র গোলটি করেন লিয়ান্দ্রো কোমেনেনসিয়া।
শুরুতেই জার্মানির দাপট ও কুরাসাওয়ের চমক
ম্যাচের শুরু থেকেই কুরাসাওয়ের ওপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকে জার্মানি। মাত্র ৫ম মিনিটেই দলকে এগিয়ে নেন ফেলিক্স এনমেচা। ফ্লোরিয়ান ভির্টজের চমৎকার এক পাস ধরে বক্সের ভেতর ঠান্ডা মাথায় বল জালে জড়ান তিনি।
তবে শুরুর এই ধাক্কা সামলে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় কুরাসাও। ২০তম মিনিটে সবাইকে চমকে দিয়ে সমতায় ফেরে তারা। বক্সের বাইরে থেকে লিভানো কোমেনেনসিয়ার নেওয়া শট জার্মান রক্ষণভাগে ডিফ্লেক্ট হয়ে অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়ারকে ফাঁকি দিয়ে জালে প্রবেশ করে। এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজেদের প্রথম গোলের দেখা পায় কুরাসাও, সেই সঙ্গে ম্যাচে ফেরে ১-১ সমতা।
জার্মানির পুনরায় নিয়ন্ত্রণ ও পেনাল্টিতে ব্যবধান বৃদ্ধি
সমতায় ফেরার পর জার্মান আক্রমণ সামলাতে কুরাসাও রক্ষণভাগকে বেশ বেগ পেতে হয়। বিশেষ করে জোশুয়া কিমিখের কর্নারগুলো তাদের বক্সে ক্রমাগত ভীতি ছড়াচ্ছিল। ম্যাচের ৩৬তম মিনিটে কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে চমৎকার হেডে গোল করে জার্মানিকে আবারও এগিয়ে নেন নিকো শ্লোটারবেক।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে (অতিরিক্ত মিনিট) বক্সে এনমেচাকে ফাউল করেন কুরাসাওয়ের বাযোর। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজালে স্পট কিক থেকে কাই হাভার্টজ গোল করতে ভুল করেননি। ফলে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় জার্মানি।
দ্বিতীয়ার্ধে গোলের বন্যা
বিরতি থেকে ফিরেই কুরাসাওয়ের ওপর আরও চড়াও হয় জার্মানি। ৪৬তম মিনিটে জোশুয়া কিমিখের চমৎকার এক থ্রু পাস ধরে বক্সে ঢুকে লক্ষ্যভেদ করেন জামাল মুসিয়ালা (৪-১)।
এরপর জার্মানদের গোল উৎসব থামানো অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। ম্যাচের ৬৭তম মিনিটে নিজের প্রথম আন্তর্জাতিক গোলের দেখা পান লার্স ব্রাউন, ব্যবধান দাঁড়ায় ৫-১। ৭৬তম মিনিটে কিমিখের বানিয়ে দেওয়া বল জালে জড়িয়ে স্কোরলাইন ৬-১ করেন বদলি স্ট্রাইকার ডেনিজ উনদাভ। আর ৮৭তম মিনিটে ম্যাচের শেষ পেরেকটি ঠুকে দিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন কাই হাভার্টজ।
নবাগত কুরাসাওয়ের বিপক্ষে জার্মানির এই দাপুটে পারফরম্যান্স ও ৭-১ গোলের বিশাল জয় ফুটবলপ্রেমীদের মনে আবারও জার্মানদের সেই ঐতিহাসিক গোল উৎসবের স্মৃতি মনে করিয়ে দিল।
জুলাই ১১, ২০২৬
জুলাই ২০, ২০২৬
জুলাই ৮, ২০২৬
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ৫ আগস্ট, ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ৫ আগস্ট, ২০২৬
নওগাঁ | ৫ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ৫ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ৫ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।