এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শুরুতেই দেখা মিলল চরম নাটকীয়তার। ফিলাডেলফিয়ার লিংকন ফাইন্যান্সিয়াল ফিল্ডে শেষ মুহূর্তের এক জাদুকরি গোলে ইকুয়েডরকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়েছে আইভরি কোস্ট [১.১.২, ১.২.১]। দীর্ঘ সময় ধরে গোলশূন্য থাকা ম্যাচে বদলি খেলোয়াড় আমাদ দিয়ালো ৯০তম মিনিটে জয়সূচক গোলটি করে আফ্রিকান প্রতিনিধিদের পূর্ণ তিন পয়েন্ট এনে দেন [১.২.১, ১.২.৫]।
ম্যাচের পুরোটা সময় জুড়েই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দিয়েছে। তবে ফিনিশিংয়ের অভাব ও ভাগ্য সহায় না হওয়ায় বারবার হতাশ হতে হয়েছে দক্ষিণ আমেরিকান দল ইকুয়েডরকে [১.২.১, ১.২.৮]। ম্যাচের বিভিন্ন সময়ে তাদের তিনটি প্রচেষ্টা গোলপোস্ট ও ক্রসবারে লেগে প্রতিহত হয় [১.২.১, ১.২.৫]। অন্যদিকে, আইভরি কোস্টের একটি আক্রমণও ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে [১.২.২, ১.২.৫]।
ম্যাচের প্রথমার্ধে মাঠের দখল ও আক্রমণে কিছুটা এগিয়ে ছিল ইকুয়েডর। শুরুতেই আইভরি কোস্টের ডিফেন্ডার ইমানুয়েল আগবাদুর একটি ভুলের সুযোগে পেনাল্টি বক্সের কাছে বল পেয়ে যান অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড এনার ভ্যালেন্সিয়া। তবে সুবিধাজনক অবস্থানে থেকেও তিনি বল মারেন ক্রসবারের ওপর দিয়ে।
কিছুক্ষণ পরেই গোল পেতে পারত ইকুয়েডর। ডি-বক্সের বাইরে থেকে জন ইয়েবোহের নেওয়া এক বুলেট গতির শট প্রতিহত হয় ক্রসবারে লেগে [১.২.৫]। এর কিছুক্ষণ পর পেড্রো ভিটের নিখুঁত এক থ্রু পাস ধরে অ্যালান মিন্দার নেওয়া শটও পোস্টে লেগে ফিরে এলে প্রথমার্ধেই দুইবার গোলবঞ্চিত হওয়ার আক্ষেপে পোড়ে ইকুয়েডর।
অন্য দিকে, আইভরি কোস্টের আক্রমণে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন ১৯ বছর বয়সী তরুণ উইঙ্গার ইয়ান দিওমান্দে [১.২.৫]। ডান প্রান্ত দিয়ে তিনি বেশ কিছু চমৎকার আক্রমণ তৈরি করলেও সতীর্থদের ব্যর্থতায় সেগুলো ফলপ্রসূ হচ্ছিল না। নিকোলাস পেপে একটি নিশ্চিত সুযোগে শট নিতে বেশি দেরি করে ফেলেন এবং এলি ওয়াহির আরেকটি ভালো সুযোগ প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে ভেস্তে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও আক্রমণের একই ধারা বজায় রাখে ইকুয়েডর। গঞ্জালো প্লাতার সঙ্গে চমৎকার ওয়ান-টু-ওয়ান পাস খেলে বক্সে ঢুকে আবারও গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন এনার ভ্যালেন্সিয়া। তবে তার নেওয়া শটটি এবার পোস্টের বাইরের অংশে লেগে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
তবে সময়ের সাথে সাথে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নিতে শুরু করে আইভরি কোস্ট। দুর্দান্ত খেলতে থাকা দিওমান্দে বক্সে ঢুকে দুই দফায় শট নিলেও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি [১.২.৫]। এরপর তার একটি নিখুঁত ক্রস থেকে এলি ওয়াহির নেওয়া শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে [১.২.৫]।
এর মাঝেও পাল্টা আক্রমণে ভীতি ছড়াচ্ছিল ইকুয়েডর। গঞ্জালো প্লাতার ২৫ গজ দূর থেকে নেওয়া এক জোরালো দূরপাল্লার শট অসামান্য দক্ষতায় কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন আইভরি কোস্টের গোলরক্ষক ইয়াহিয়া ফোফানা [১.২.৫]। এছাড়া ফ্রি-কিক থেকে আসা একটি সুযোগে জোয়েল অর্ডোনেজের হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
ম্যাচ যখন নিশ্চিত গোলশূন্য ড্রয়ের দিকেই এগোচ্ছিল, ঠিক তখনই আসে সেই রোমাঞ্চকর ক্ষণ [১.২.৮]। ম্যাচের ৯০তম মিনিটে ডান প্রান্ত দিয়ে ক্ষিপ্র গতিতে প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেঙে বক্সে চমৎকার ক্রস বাড়ান উইলফ্রিড সিঙ্গো [১.২.৫]। ডি-বক্সের ঠিক প্রান্তে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বদলি ফরোয়ার্ড আমাদ দিয়ালো এক দর্শনীয় শটে বল ইকুয়েডরের জালে জড়িয়ে দেন [১.২.১, ১.২.৫]। গোলরক্ষক হার্নান গালিন্দেজকে পরাস্ত করে নিখুঁত শটে গোল করে আইভরি কোস্টকে উল্লাসে ভাসান তিনি [১.২.৫, ১.২.৮]।
শেষ মুহূর্তের এই আকস্মিক ধাক্কা আর সামলে উঠতে পারেনি ইকুয়েডর। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের স্বস্তিদায়ক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আইভরি কোস্ট [১.২.১, ১.২.২]। অন্যদিকে একাধিক নিশ্চিত সুযোগ হাতছাড়া করে হারের আক্ষেপ নিয়েই বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে হলো ইকুয়েডরকে [১.২.৮]।
জুলাই ১, ২০২৬
জুলাই ২, ২০২৬
জুলাই ২, ২০২৬
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ৫ আগস্ট, ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ৫ আগস্ট, ২০২৬
নওগাঁ | ৫ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ৫ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ৫ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।