এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
কিছু কিছু সাংবাদিকের কর্মকাণ্ড সাধারণ হত্যাকাণ্ডের চেয়েও বড় অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দায়ের হওয়া বিভিন্ন মামলা ও সাংবাদিকদের ভূমিকা প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে সরকারের নিয়মিত কর্মকাণ্ড নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডা. জাহেদ উর রহমান এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, বর্তমানে যে সাংবাদিকদের বন্দি করা হয়েছে, তারা সরাসরি গণহত্যার মামলায় নয়, বরং সুনির্দিষ্ট হত্যা মামলায় অভিযুক্ত। বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন থাকলেও বাস্তব পরিস্থিতি ভিন্ন। তিনি উল্লেখ করেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত অপরাধগুলোকে স্রেফ হত্যাকাণ্ড না বলে ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ (Crimes Against Humanity) হিসেবে দেখা উচিত। শেখ হাসিনা সরকারের আমলে দীর্ঘ সময় ধরে চলা ‘গুম’ এবং জুলাইয়ের নৃশংসতা—সবই এই শ্রেণির অপরাধ।
জাহেদ উর রহমান বলেন, "যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, তাদের কারো কারো অপরাধ কোনো একজন ব্যক্তিকে হত্যার চেয়েও বেশি। কারণ তারা এই গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধগুলোকে বৈধতা দিতে নির্দিষ্ট ন্যারেটিভ বা প্রচারকৌশল তৈরি করেছিলেন।"
আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নুরেমবার্গ ট্রায়াল, টোকিও ট্রায়াল কিংবা রুয়ান্ডা গণহত্যার বিচারেও দেখা গেছে—যারা সরাসরি হত্যায় অংশ না নিয়েও গণহত্যার পক্ষে প্রচার চালিয়েছেন বা সমর্থন দিয়েছেন, তাদের বিচারের আওতায় আনা হয়েছে। বাংলাদেশেও সেই একই মানদণ্ড প্রযোজ্য হতে পারে।
তবে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ঢালাও হত্যা মামলার প্রক্রিয়া নিয়ে খানিকটা ভিন্নমত পোষণ করেন উপদেষ্টা। তিনি বলেন, "তাদের অপরাধ গুরুতর হলেও, যে অভিযোগে (সুনির্দিষ্ট হত্যা মামলা) বর্তমানে তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে, তা আইনি দিক থেকে প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। আমি দায়িত্ব নেওয়ার আগেও বলেছি যে, এই সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তাদের অভিযুক্ত করা হয়তো সঠিক কৌশল নয়; বরং তাদের অপরাধের প্রকৃত ধরন অনুযায়ী বিচার হওয়া উচিত।"
জুলাইয়ের ঘটনায় সাংবাদিকদের দায়বদ্ধতা এবং আইনি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে সংবাদ সম্মেলন শেষ করেন তিনি।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
নোয়াখালী | ৭ আগস্ট, ২০২৬
ঢাকা | ৭ আগস্ট, ২০২৬
রাঙ্গামাটি | ৭ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ৭ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ৭ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।