এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
জাতীয় দলের জার্সিতে সাদা বলের ক্রিকেটে নিয়মিত মুখ হলেও লাল বলের ক্রিকেটেও নিজের অসাধারণ ব্যাটিং সামর্থ্য দেখালেন তাওহীদ হৃদয়। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে দুর্দান্ত এক ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন বাংলাদেশ ‘এ’ দলের অধিনায়ক। সেই সঙ্গে নাম লিখিয়েছেন দেশের ক্রিকেটের কিংবদন্তি সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমের পাশে।
অভিজাত ক্লাবে হৃদয়
বিদেশের মাটিতে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি করা চতুর্থ বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হওয়ার গৌরব অর্জন করলেন ২৪ বছর বয়সী তাওহীদ হৃদয়। এর আগে এই বিরল কীর্তি গড়েছিলেন কেবল তিনজন:
শাহরিয়ার হোসেন: ২০০৩ সালে পাকিস্তানের করাচিতে ডিফেন্স হাউজিং অথরিটির বিপক্ষে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে ২১৮ রান।
মুশফিকুর রহিম: ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার গলে টেস্টে ঐতিহাসিক ২০০ রান।
সাকিব আল হাসান: ২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ডের ওয়েলিংটনে টেস্টে ২১৭ রান।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটি হৃদয়ের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি। এর আগে ঘরোয়া ক্রিকেটে বিসিবি দক্ষিণাঞ্চলের হয়ে উত্তরাঞ্চলের বিপক্ষে ২১৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি।
ম্যারাথন ইনিংস ও বড় জুটি
পচেফস্ট্রুমে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষে দ্বিতীয় চার দিনের ম্যাচের তৃতীয় দিন শেষে ৩৩৯ বলে ২০৪ রান করে অপরাজিত থাকেন হৃদয়। ২২টি চার ও একটি ছক্কায় সাজানো এই নান্দনিক ইনিংসের ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ হয় ৩৩৫ বলে।
দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের প্রথম ইনিংসে করা ৫১২ রানের জবাবে দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ২০১ রান। তৃতীয় দিনে হৃদয় ও জাকের আলী অনিক দলকে লড়াইয়ে ফেরান।
পঞ্চম উইকেট জুটি: জাকেরের সঙ্গে গড়ে তোলেন ১৫১ রানের জুটি। শতকের কাছে গিয়ে ১৬৮ বলে ৯৪ রান করে আউট হন জাকের।
ষষ্ঠ উইকেট জুটি: এরপর মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে আরও ১৮৫ রান যোগ করেন হৃদয়। দিনের শেষ বলে আউট হওয়ার আগে ১৭১ বলে ৮৭ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন সাইফউদ্দিন।
তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ৪৭১ রান। স্বাগতিকদের চেয়ে সফরকারীরা তখনো পিছিয়ে মাত্র ৪১ রানে। হৃদয়ের সঙ্গে অপরাজিত আছেন নাঈম হাসান।
ম্যাচের চালচিত্র ও টেস্ট সম্ভাবনা
এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বড় সংগ্রহে সেঞ্চুরি করেন সিনেথেম্বা কেশিলে (১২৮) ও লেসেগো সেনোকোয়ানে (১১১)। এছাড়া গ্যাভিন কাপলান করেন ৯৭ রান। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে নাঈম হাসান ৪টি এবং হাসান মুরাদ ৩টি উইকেট নেন।
দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশ ‘এ’ দলের জন্য ম্যাচটি ড্র করতে হৃদয়ের এই ধৈর্যশীল ইনিংসটি দারুণ ভূমিকা রাখছে। তবে সবচেয়ে বড় বিষয়, দক্ষিণ আফ্রিকার বাউন্সি ও গতিময় উইকেটে খেলা হৃদয়সুলভ এই দায়িত্বশীল ইনিংস জাতীয় দলের নির্বাচকদের কাছে তাঁর টেস্ট ক্যাপ পাওয়ার দাবিকে আরও জোরালো করে তুলল।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
নওগাঁ | ২০ জুলাই, ২০২৫
সারাদেশ | ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আন্তর্জাতিক | ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বরিশাল | ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।