এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজে নিয়মিত প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ না থাকায় ভারপ্রাপ্তদের কাঁধেই ভর করে চলছে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। এতে দৈনন্দিন পাঠদান সচল থাকলেও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং তা বাস্তবায়নে নানা জটিলতা তৈরি হচ্ছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার অন্তত ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বর্তমানে প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষের পদ শূন্য রয়েছে এবং সেখানে ভারপ্রাপ্তরা দায়িত্ব পালন করছেন।
যাঁরা ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তাঁরা হলেন—আলফাডাঙ্গা আদর্শ ডিগ্রি কলেজের এম.এম. মুজিবুর রহমান মুজিব, কামারগ্রাম কাঞ্চন একাডেমির মো. কাওছার প্রামাণিক, চরনারানদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মো. তারিকুল ইসলাম, জাটিগ্রাম মমতাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সৈয়দ আতিয়ার রহমান, নওয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মো. দবিরউদ্দিন, বানা মৌলভী আব্দুল মজিদ উচ্চ বিদ্যালয়ের হাদী সাহেব আলী, হেলেঞ্চা উচ্চ বিদ্যালয়ের মো. ওহিদুজ্জামান খান, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যাপীঠের মো. খায়রুল আলম এবং বীরমুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজের শেখ ফাতেমা অনন্যা।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ভারপ্রাপ্ত প্রধানরা অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গেই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষ না থাকায় প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কার্যক্রমে কাঙ্ক্ষিত গতি আসছে না। বিশেষ করে শিক্ষক ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামোগত ও একাডেমিক উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে নানা সীমাবদ্ধতার মুখে পড়তে হচ্ছে। দীর্ঘদিন এমন অবস্থা চলতে থাকলে তা প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও স্থায়ী উন্নয়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা।
এ বিষয়ে আলফাডাঙ্গা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, "ভারপ্রাপ্তরা দায়িত্ব পালন করছেন বলেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম সচল রয়েছে। তবে দীর্ঘদিন ভারপ্রাপ্ত দিয়ে প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হলে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জটিলতা তৈরি হওয়াটাই স্বাভাবিক। শূন্য পদগুলোতে দ্রুত নিয়মিত প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ নিয়োগ করা গেলে প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।"
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসনিক স্থবিরতা কাটিয়ে শিক্ষার পরিবেশ ও মান আরও উন্নত করতে দ্রুত শূন্য পদগুলোতে নিয়মিত প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল ও সংশ্লিষ্টরা।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ফরিদপুর | ১৮ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
জাতীয় | ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বরিশাল | ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
নোয়াখালী | ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।