এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন ও জাতীয় প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিধান বিলুপ্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি জানান, এখন থেকে স্থানীয় সরকারের পাঁচটি স্তরের নির্বাচন সাধারণ প্রতীকে এবং নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে। তবে রাজনৈতিক দলগুলো চাইলে প্রার্থীদের দলীয় সমর্থন জানাতে পারবে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মীর শাহে আলম বলেন, "আগে স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন ও জাতীয় প্রতীকে নির্বাচনের যে বিধান ছিল, তা আমরা বিলুপ্ত করেছি। এখন এই পাঁচটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে সম্পূর্ণ নির্দলীয়ভাবে এবং সাধারণ প্রতীকে। তবে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নিজস্ব রাজনৈতিক কৌশল ও সংগঠনকে সক্রিয় রাখতে যে কাউকে সমর্থন দিতে পারবে।"
প্রার্থী সমর্থন চূড়ান্ত করবে স্থানীয় নেতৃত্ব:
প্রতিমন্ত্রী জানান, নির্বাচনে কাকে দলের সমর্থন দেওয়া হবে, তা স্থানীয় পর্যায়ের নেতারাই নির্ধারণ করবেন। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদ—সব স্তরের নির্বাচনের জন্যই উপজেলা ও জেলা বিএনপি যৌথভাবে সমর্থিত প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত করবে। এ বিষয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকেও নিয়মিত দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
সমর্থনের ক্ষেত্রে ত্যাগী ও গ্রহণযোগ্যদের অগ্রাধিকার:
প্রার্থী বাছাইয়ের মানদণ্ড ব্যাখ্যা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "দলের সমর্থনের ক্ষেত্রে বিগত ১৭ বছর ধরে মাঠে থেকে লড়াই-সংগ্রাম করা, হামলা-মামলা ও হয়রানির শিকার হওয়া এবং নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখার অভিজ্ঞতা রয়েছে—এমন ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। একই সঙ্গে তাঁদের সাধারণ মানুষের ভোটে বিজয়ী হওয়ার সক্ষমতা ও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।"
তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, কারও বিগত ১৭ বছরের আন্দোলনের ত্যাগ থাকলেও যদি ভোটের মাঠে কোনো গ্রহণযোগ্যতা না থাকে, তবে তাঁকে নির্বাচনে সমর্থন না দিয়ে দলের অন্য কোনো দায়িত্বে মূল্যায়ন করা হবে। একইভাবে, কারও ভোটের মাঠে অভিজ্ঞতা থাকলেও বিগত ১৭ বছরের দুর্দিনে যারা মাঠে অনুপস্থিত ছিলেন, তাঁদেরও নির্বাচনে সমর্থন না দেওয়ার বিষয়ে কেন্দ্র থেকে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
নওগাঁ | ২০ জুলাই, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ২৯ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৯ আগস্ট, ২০২৬
বরিশাল | ২৯ আগস্ট, ২০২৬
বরিশাল | ২৯ আগস্ট, ২০২৬
নওগাঁ | ২৯ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।