এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
প্রতিষ্ঠার দুই দশকেরও বেশি (২১ বছর) সময় পার হলেও নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) এখনো গড়ে ওঠেনি কোনো কেন্দ্রীয় ড্রেনেজ ব্যবস্থা (সেন্ট্রাল ড্রেনেজ সিস্টেম)। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, খেলার মাঠ, আবাসিক হল ও একাডেমিক ভবনের আশপাশে সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র জলাবদ্ধতা। পানি নিষ্কাশনের কার্যকর কোনো ব্যবস্থা না থাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়ক ও মাঠ পানিতে তলিয়ে থাকছে। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ পুরো ক্যাম্পাসবাসীকে।
সরেজমিনে দেখা যায়, একটু বৃষ্টি হলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবি খাদিজা হল ও আবদুল মালেক উকিল হলের সামনের সড়ক পানির নিচে তলিয়ে যায়। একই চিত্র দেখা যায় কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনের রাস্তাতেও। দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকায় শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে চরম বিঘ্ন ঘটছে। এছাড়া পানি নিষ্কাশনের যথাযথ ব্যবস্থা না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠটিও (সেন্ট্রাল ফিল্ড) জলমগ্ন হয়ে পড়ে, যা বৃষ্টির পর দীর্ঘ সময় খেলাধুলার সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে থাকে।
দীর্ঘদিনেও টেকসই ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে না ওঠায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই যুগ হতে চললেও আধুনিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকা অত্যন্ত হতাশাজনক।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী সুব্রত দে বলেন, “প্রতিষ্ঠার ২১ বছর পেরিয়ে গেলেও আমাদের ক্যাম্পাসে কোনো সেন্ট্রাল ড্রেনেজ সিস্টেম তৈরি হয়নি। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাঘাট ও মাঠ তলিয়ে যায়। হল থেকে বের হয়ে ক্লাসে যাওয়া এখন চরম ভোগান্তির বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মুফাচ্ছেল হোসেন স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, “পানি নিষ্কাশনের দুর্বলতার কারণে ক্যাম্পাসে দীর্ঘদিন পানি জমে থাকে। এতে পানিবাহিত রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি বাড়ে। পাশাপাশি ড্রেন না থাকায় জমে থাকা পানিতে মশা-মাছির উপদ্রবও আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে।”
প্রশাসনের উদাসীনতার সমালোচনা করে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হক অমি বলেন, “প্রশাসনের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা সব সময় গাড়িতে চলাফেরা করেন, তাই সাধারণ শিক্ষার্থীদের এই হাঁটু পানির ভোগান্তি হয়তো তাঁদের চোখে পড়ে না। অবিলম্বে এই ভোগান্তি নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ দরকার।”
সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের এতগুলো বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরও কার্যকর কোনো পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকা সত্যিই দুঃখজনক। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ৫০ বছর মেয়াদি একটি ‘মাস্টার প্ল্যান’ তৈরির কাজ চলছে, যাতে আধুনিক সেন্ট্রাল ড্রেনেজ সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত রাখা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, মাস্টার প্ল্যান চূড়ান্ত ও বাস্তবায়ন হতে কিছুটা সময় লাগবে। তবে সেই পর্যন্ত অপেক্ষা না করে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে এবং যাতে দ্রুত পানি নিষ্কাশন হয়, সে জন্য অবিলম্বে প্রয়োজনীয় অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
পিরোজপুর | ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
রাঙ্গামাটি | ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
বান্দরবান | ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।