এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাস ও একটি সামরিক ইউনিটের নামকরণকে কেন্দ্র করে ইউক্রেন ও পোল্যান্ডের মধ্যে নতুন কূটনৈতিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে [১.২.৪, ১.২.৭]। এর জেরে পোল্যান্ডের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘অর্ডার অব দ্য হোয়াইট ইগল’ ফেরত পাঠিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি [১.২.৫, ১.৩.২]। পোলিশ প্রেসিডেন্ট ক্যারল নাভরোৎস্কি কর্তৃক এই সম্মাননা প্রত্যাহারের ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডাক রসিদের ছবি প্রকাশ করে তা ফেরত দেওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেন জেলেনস্কি [১.৩.২, ১.৩.৮]।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট লেখেন, "ইউক্রেনীয়রা বিশ্বাস করেছিল ২০২৩ সালে দেওয়া এই সম্মাননাটি মূলত দেশের সাধারণ মানুষ ও আমাদের সেনাবাহিনীর বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ ছিল [১.২.৪, ১.২.৫]। আজ আমি এটি পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের কাছে ফেরত পাঠিয়েছি [১.২.৫, ১.৩.৬]। ভবিষ্যৎই প্রমাণ করবে ইউক্রেনীয়রা প্রকৃতপক্ষে কোন সম্মানের যোগ্য [১.২.৪, ১.২.৫]।"
বিতর্কের সূত্রপাত
সম্প্রতি ইউক্রেনের একটি বিশেষ সামরিক ইউনিটের নামকরণকে কেন্দ্র করে এই কূটনৈতিক বিরোধের সৃষ্টি হয় [১.১.১, ১.৩.৬]। গত মে মাসে ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এক ডিক্রির মাধ্যমে ইউক্রেনের বিশেষ অভিযান বাহিনীর একটি ইউনিটের নাম ‘ইউক্রেনিয়ান ইনসার্জেন্ট আর্মি (ইউপিএ)’-এর নামে উৎসর্গ করেন [১.১.১, ১.৩.৯]।
১৯৪০ ও ১৯৫০-এর দশকে সক্রিয় থাকা এই বিতর্কিত জাতীয়তাবাদী সশস্ত্র বাহিনীটির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রায় লক্ষাধিক পোলিশ নাগরিককে নির্মমভাবে হত্যার অভিযোগ রয়েছে [১.১.১, ১.১.৯]। পোল্যান্ডের ইতিহাসে এই ঘটনাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও বড় একটি ট্র্যাজেডি হিসেবে বিবেচিত [১.১.৯]।
পোলিশ প্রেসিডেন্ট নাভরোৎস্কি এই নামকরণের তীব্র বিরোধিতা করে বলেন, "পোলিশ সমাজের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের কাছে ইউপিএ মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পোল্যান্ডের বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে সংঘটিত নৃশংস অপরাধের জন্য দায়ী একটি সংগঠন [১.১.৯]। ঐতিহাসিক সত্যকে কোনো রাজনৈতিক স্বার্থে আপস করা যায় না এবং নিহতদের স্মরণ করা পোলিশ রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব [১.১.৯]।" এই বিরোধের জের ধরেই তিনি জেলেনস্কির সম্মাননা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন [১.৩.৩, ১.৩.৬]।
সম্মাননার ইতিহাস ও জেলেনস্কির প্রতিক্রিয়া
২০২৩ সালে তৎকালীন পোলিশ প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেজ ডুডা ইউক্রেনের নিরাপত্তা, দৃঢ়তা এবং মানবাধিকার রক্ষায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ভলোদিমির জেলেনস্কিকে পোল্যান্ডের এই সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদান করেছিলেন [১.২.৫, ১.২.৮]।
সম্মাননা ফেরত দেওয়ার সময় পোল্যান্ডের পূর্ববর্তী ইতিহাসের কথা উল্লেখ করে কিছুটা ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন জেলেনস্কি [১.২.১, ১.২.৮]। তিনি জানান, অতীতে রাশিয়ার সম্রাজ্ঞী দ্বিতীয় ক্যাথরিন, ইতালির ফ্যাসিস্ট একনায়ক বেনিতো মুসোলিনি এবং রুশপন্থী হিসেবে পরিচিত জার্মানির সাবেক চ্যান্সেলর গেরহার্ড শ্রোডারের মতো বিতর্কিত ব্যক্তিত্বদেরও এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছিল [১.২.১, ১.২.৮]। জেলেনস্কি বলেন, "যদি এই বিশেষ সম্মাননাটি তাদের সাথে রাখার উপযুক্ত মনে করা হয়, তবে ইউক্রেনীয়রা তা নিয়ে কোনো তর্কে জড়াবে না [১.২.৮, ১.৩.৮]।"
তবে তিনি একই সাথে স্পষ্ট করেন যে, ইতিহাস নিয়ে পোল্যান্ডের সাথে যেকোনো অর্থপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সংলাপে বসতে এবং অতীতের কঠিন অধ্যায়গুলো কাটিয়ে উঠতে ইউক্রেন সর্বদা উন্মুক্ত থাকবে [১.৩.৬, ১.৩.৮]।
ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের ক্ষোভ
পোলিশ প্রেসিডেন্টের এমন সিদ্ধান্তের পর জেলেনস্কির প্রতি সংহতি জানিয়ে ইউক্রেনের বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা তাদের পাওয়া পোলিশ সম্মাননা ও পদক ফেরত দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন [১.২.৩, ১.২.৭]। ইউক্রেনের গোয়েন্দা প্রধান কিরিলো বুদানোভ ও পোল্যান্ডে নিযুক্ত ইউক্রেনীয় রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিল বোদনার তাদের পোলিশ সম্মাননা পদক প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, মিত্র দেশগুলোর মধ্যে এই ধরণের কূটনৈতিক সংঘাত কেবল রাশিয়ার আগ্রাসনকেই লাভবান করবে [১.২.৩, ১.২.৯]।
ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
বান্দরবান | ২৮ জুন, ২০২৫
ফরিদপুর | ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
নওগাঁ | ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।