এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিতে রাজনৈতিক পরিচয়ই যেন বড় বাধা না হয়ে দাঁড়ায়—এমন আশঙ্কায় নির্বাচন মাঠে নামার আগেই পদত্যাগ করলেন ফরিদপুরের এক স্থানীয় নেতা। আওয়ামী লীগ ও এর সব অঙ্গসংগঠনের পদ-পদবি থেকে পদত্যাগ করেছেন নগরকান্দা উপজেলার পুরাপাড়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. কামরুজ্জামান খোকন মিয়া।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নগরকান্দা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন ডেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এ পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে খোকন মিয়া জানান, শারীরিক ও পারিবারিক কারণ তো রয়েছেই, তবে পদত্যাগের পেছনে মূল কারণ তার নির্বাচনী ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা।
খোলামেলা বক্তব্যে তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে একটি মহল তাকে গ্রেপ্তার করানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে তিনি আঁচ করতে পেরেছেন। তিনি আশঙ্কা করছেন, জেলে গেলে নির্বাচনে অংশ নেওয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে। মূলত ভোটের মাঠ থেকে ছিটকে পড়ার ঝুঁকি এড়াতেই আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে তিনি আওয়ামী লীগের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
খোকন মিয়ার ভাষ্য, “দলের নেতাকর্মীরাও আমাকে দীর্ঘদিন ধরে পদত্যাগের পরামর্শ দিয়ে আসছিলেন। তাই নির্বাচনের আগে কোনো ধরনের আইনি জটিলতায় যেন পড়তে না হয়, সেজন্যই সময় থাকতে পদত্যাগের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছি।”
এদিকে তার এমন পদত্যাগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা ও গুঞ্জন শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—এটি নিছক দলীয় পদত্যাগ, নাকি বদলে যাওয়া রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নিজেকে নিরাপদ রাখার সুকৌশলী পদক্ষেপ?
স্থানীয় বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ক্ষমতাসীন দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকার পর নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে পদত্যাগ করা একটি কৌশলগত পরিবর্তন হতে পারে। এর মাধ্যমে মূলত বিরোধী পক্ষের ‘আওয়ামী লীগের লোক’ ট্যাগ এড়িয়ে ভোটারের কাছে নতুন পরিচয়ে পৌঁছানোর চেষ্টা থাকতে পারে। তবে কেউ কেউ এটিকে রাজনৈতিক সুবিধাবাদ বলেও আখ্যা দিচ্ছেন।
অবশ্য অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের চাপ বা প্ররোচনার কথা অস্বীকার করে খোকন মিয়া দাবি করেন, সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও নির্বাচনী বাস্তবতা বিবেচনা করেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এখন দেখার বিষয়, দলীয় পরিচয় ত্যাগের পর পুরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে কামরুজ্জামান খোকন মিয়ার এই কৌশল কতটা ফলপ্রসূ হয়।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
বান্দরবান | ২৮ জুন, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বান্দরবান | ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বান্দরবান | ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বরিশাল | ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
নোয়াখালী | ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।