এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে মিশে গেছে দাবি করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বলেছেন, “বর্তমানে বাংলাদেশে এনসিপি বলতে স্বাধীন কোনো দল নেই। যা অবশিষ্ট আছে, তা মূলত জামায়াতের শিশু সংগঠন।”
শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মুরারীদহ এলাকায় ঐতিহ্যবাহী ‘মিয়ার দালান’ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খান বলেন, জামায়াতঘেঁষা রাজনীতির কারণেই তাসনিম জারাসহ প্রগতিশীল ও গণতন্ত্রকামী বহু নেতা-নেত্রী এনসিপি ছেড়ে চলে গেছেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের একক কৃতিত্ব দাবি করার সমালোচনা করে তিনি বলেন, “এনসিপি জুলাই অভ্যুত্থানের ক্রেডিট নেওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। নাহিদ ইসলাম ও মাহফুজ আলম দেশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়ে নিজেদের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন। অথচ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে এক দফার ঘোষণা নাহিদ ইসলাম দিলেও, এর আসল প্রেক্ষাপট তৈরি করেছিল এ দেশের সাধারণ জনগণ।” তিনি মাহফুজ আলমকে নাহিদ ইসলামের রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবেও আখ্যায়িত করেন।
জামায়াতে ইসলামীর আমিরের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, “অভ্যুত্থানের পর জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের আসল রূপ উন্মোচিত হয়েছে। তিনিই প্রথম আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে বেইমানি করেছিলেন।”
এনসিপি নেতাদের বৈপরীত্যমূলক অবস্থানের কথা উল্লেখ করে রাশেদ খান আরও বলেন, “নাহিদ ইসলাম একসময় জামায়াতকে স্বাধীনতাবিরোধী ও সার্বভৌমত্বের হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন। অথচ পরবর্তীতে তারা সেই জামায়াতের পকেটবন্দি হয়ে পড়েন। এমনকি নির্বাচনে এনসিপি প্রার্থীদের যাবতীয় নির্বাচনী ব্যয়ও জুগিয়েছে জামায়াত।”
বর্তমান সংসদ ও বিরোধী দলের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এই সহকারী বলেন, “অতীতের আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিরোধী দল কোনো সুযোগ-সুবিধা পেত না। কিন্তু বর্তমান বিএনপি সরকার বিরোধী দলকে যথাযথ মূল্যায়ন করছে এবং পূর্ণ সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। সরকারি দলের এমপিদের সমপরিমাণ সুযোগ পেয়েও জামায়াত ও এনসিপির এমপিরা অহেতুক সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করছেন। তাদের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে—‘সুখে থাকতে ভূতে কিলাচ্ছে’।”
পরিদর্শনকালে রাশেদ খানের সাথে ঝিনাইদহ প্রেস ক্লাবের সভাপতি আসিফ ইকবাল মাখন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, গণঅধিকার পরিষদের জেলা সভাপতি প্রভাষক মো. সাখাওয়াত হোসেন, টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রাজিব হাসান, গণঅধিকার পরিষদ নেতা সুলাইমান হোসেনসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
বান্দরবান | ২৮ জুন, ২০২৫
ফরিদপুর | ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
নওগাঁ | ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।