এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
চট্টগ্রামে মেট্রোরেল নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু হচ্ছে আগামী মাস থেকে। নগরীর কালুরঘাট থেকে বিমানবন্দর, সিটি গেট থেকে নতুন ব্রিজ এবং অক্সিজেন থেকে ফিরিঙ্গিবাজার- এই তিনটি রুটকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু হবে। তিনটি রুটের ৫৪ দশমিক ৫০ কিলোমিটার মেট্রোরেলের বিভিন্ন পয়েন্টে যাত্রী ওঠানামার জন্য মোট ৪৭টি পয়েন্ট থাকবে।
সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু করতে উপদেষ্টা কমিটির সদস্যদের নিয়ে গত ৩ এপ্রিল চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) সম্মেলন কক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন সাদার্ন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর মোজাম্মেল হক। সভায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, চুয়েটের অধ্যাপক, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) পরিচালক, এলজিইডির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে কীভাবে প্রকল্পের কাজ শুরু হবে, প্রকল্পে কী কী চ্যালেঞ্জ থাকতে পারে, কোথায় কোথায় রুট থাকবে- এসব নিয়ে কোরিয়ান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (কোইকা) পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সাথে আলোচনা হয়েছে। ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ), চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)- এই তিন প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে সম্ভব্যতা যাচাইয়ের কাজ হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
জানতে চাইলে সাদার্ন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর মোজাম্মেল হক বলেন, শীঘ্রই মেট্রোরেল নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু হবে। নগরীর অভ্যন্তরে বা মূল শহরে মাটির নিচে এবং শহরের আশপাশে মাটির উপরে মেট্রোরেল নির্মাণের উদ্দেশ্য নিয়ে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ চলবে।
আগামী মাসে মেট্রোরেল নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। তিনি বলেন, মেট্রোরেল চট্টগ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি। মেট্রোরেল হলে নগরীর অভ্যন্তরে যানজট অনেকাংশে কমে আসবে। যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, মেট্রোরেল নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৭০ কোটি ৬২ লাখ ৫৮ হাজার টাকা। সরকার ও কোরিয়া আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থার অর্থায়নে সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে। প্রকল্পের মেয়াদকাল ধরা হয়েছে জানুয়ারি ২০২৩ থেকে জুন ২০২৫ পর্যন্ত। তবে আগামী মাসে কাজ শুরু হলে শেষ করতে ৩-৪ মাসের বেশি লাগবে না।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
নোয়াখালী | ৬ আগস্ট, ২০২৬
নওগাঁ | ৬ আগস্ট, ২০২৬
পিরোজপুর | ৬ আগস্ট, ২০২৬
বান্দরবান | ৬ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ৬ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।