এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতন প্রতিরোধে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিভিন্ন আইন, নীতিমালা, সেবাকেন্দ্র এবং সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন।
সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের টেবিলে উপস্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
সুরক্ষায় আইনি পদক্ষেপ ও নতুন উদ্যোগ
নারী ও শিশুর সুরক্ষা নিশ্চিতে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলোর বিবরণ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে ‘জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১’, ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০২৬’, ‘ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) আইন, ২০১৪ ও বিধিমালা-২০১৭’, ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ও বিধিমালা-২০১৮’ এবং ‘বাল্যবিবাহ নিরোধকল্পে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (২০১৮-২০৩০)’ প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে পুরোনো ‘পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০’ রহিত করে নতুন করে ‘পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দ্রুত বিচার ও ডিএনএ পরীক্ষা বাধ্যতামূলক
মন্ত্রী জানান, ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০২৬’ সংসদের প্রথম অধিবেশনেই পাস হয়েছে, যার আওতাধীন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতনের মামলার বিচার সম্পন্ন হবে। এছাড়া অভিযুক্ত ও ভুক্তভোগীর সম্মতি থাকুক বা না থাকুক, ডিএনএ আইন-২০১৪ অনুযায়ী ডিএনএ পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ২০২৫ সালের সংশোধনীর মাধ্যমে ধর্ষণ মামলার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া আরও দ্রুত সম্পন্ন করার বিশেষ বিধানও যুক্ত করা হয়েছে।
ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার ও সেল
নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুদের সমন্বিত সেবা দিতে সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে পর্যায়ক্রমে ৩৭টি ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) স্থাপন করা হবে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, বর্তমানে চালু থাকা ১৪টি ওসিসি থেকে এ পর্যন্ত ৮২ হাজার ৬৭৮ জন ভুক্তভোগী চিকিৎসা, আইনি ও পুলিশি সহায়তা, মনোসামাজিক কাউন্সেলিং, পুনর্বাসন এবং সামাজিক পুনঃএকত্রীকরণসহ নানা সেবা পেয়েছেন।
এছাড়া জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থাপিত ৯৫টি ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেল থেকে এ পর্যন্ত ১ লাখ ৭০ হাজার ৫২৩ জন নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুকে প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়া হয়েছে।
হেল্পলাইন ১০৯-এর ভূমিকা
নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে ২৪ ঘণ্টাব্যাপী সচল টোল-ফ্রি জাতীয় হেল্পলাইন ‘১০৯’ এর কার্যকারিতা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, এই হেল্পলাইনের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৮৮ লাখ ৪৬ হাজার ৯৪০ জন ভুক্তভোগী নারী ও শিশুকে তাৎক্ষণিক ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
আন্তর্জাতিক | ২৯ জুন, ২০২৬
জাতীয় | ২৯ জুন, ২০২৬
পাবনা | ২৯ জুন, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৯ জুন, ২০২৬
সিরাজগঞ্জ | ২৯ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।