এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ বাতিল করার সরকারি উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তার মতে, সরকার কি দেশকে আবারও ‘গুমের স্বর্গরাজ্যে’ পরিণত করতে চাচ্ছে—এমন প্রশ্ন থেকেই যায়।
রোববার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে আসিফ মাহমুদ এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ-২০২৬ এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ-২০২৫ তামাদি (বাতিল) করার প্রস্তাব করেছে এ সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটি।’
পোস্টে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘যাদের সন্তান কিংবা পিতা অতীতে গুমের শিকার হয়েছেন, তাদের জন্য এটি বড় কষ্টের বিষয়। গুমের শিকার ব্যক্তিদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বিএনপির। অথচ আজ তাদের দলই গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে এবং মানবাধিকার কমিশন গঠনের অধ্যাদেশ বাতিলের প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখছে।’
সরকারের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারের বিরুদ্ধে কেন অবস্থান নেওয়া হচ্ছে? সরকার কি আবারও দেশকে গুমের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করতে চায়? এর মাধ্যমে কি বিগত সময়ে যারা গুমের সঙ্গে জড়িত ছিল কিংবা ভবিষ্যতেও যারা জড়িত হতে চায়, তাদের সুরক্ষা দেওয়া হচ্ছে?’
বিগত বছরগুলোতে যারা গুমবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন, এমন মানবাধিকার কর্মীদের নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এনসিপির এই মুখপাত্র। তিনি সরকারকে অবিলম্বে এ বিষয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা করার জন্য গঠিত সংসদীয় বিশেষ কমিটি কর্তৃক গুরুত্বপূর্ণ এই আইনগুলো বাতিলের সুপারিশের পরই রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
অক্টোবর ২৭, ২০২৪
মার্চ ২৮, ২০২৬
ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ৩০ জুন, ২০২৬
ফরিদপুর | ৩০ জুন, ২০২৬
ফরিদপুর | ৩০ জুন, ২০২৬
ফরিদপুর | ৩০ জুন, ২০২৬
ময়মনসিংহ | ৩০ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।