এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
কৃষকের বাড়ির আঙিনা ও পতিত জমিকে কাজে লাগিয়ে ফলদ ও বনজ বাগান গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম খান বাবুল। তিনি বলেন, “একটি গাছ যেমন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে, তেমনি ফলদ গাছ ভবিষ্যতে কৃষকের পরিবারের বাড়তি আয়ের বড় উৎস হতে পারে। তাই শুধু চারা রোপণ করলেই হবে না, প্রতিটি চারাকে সন্তানের মতো যত্ন নিয়ে বড় করে তুলতে হবে।”
রোববার (৩০ আগস্ট) ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়ন ঈদগাহ মাঠে ‘পার্টনারশিপ ইন ব্র্যাক ব্যাংক-ডিএই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প’-এর আওতায় কৃষক-কৃষাণীদের মাঝে চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে এবং ব্র্যাকের সহযোগিতায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে মোট ৩২৫ জন কৃষকের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ৩ হাজার ২৫০টি ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ফরিদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মো. খয়ের উদ্দিন মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বৃক্ষরোপণ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, মাটির ক্ষয় রোধ এবং সবুজায়ন বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি পরিকল্পিতভাবে ফলের বাগান গড়ে তুললে গ্রামীণ পরিবারের পুষ্টির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিক সচ্ছলতাও আসবে।
কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগী কৃষকদের মাঝে আম, লিচু, কাঁঠাল, কদবেল, লেবু, পেয়ারা, জাম, আতা, নিম ও আমলকীসহ বিভিন্ন প্রজাতির উন্নত চারা বিতরণ করা হয়। বিনামূল্যে এসব চারা পেয়ে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। তারা জানান, বাড়ির আশপাশ ও পতিত জমিতে এসব চারা রোপণ করে নিয়মিত পরিচর্যা করবেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ভাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোল্লা আল-মামুন ও অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা কাজী রমজান আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ির উপপরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ উইং-লিসাসা) কৃষিবিদ মো. নজরুল ইসলাম, ফরিদপুর অঞ্চলের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. শাহাদুজ্জামান এবং ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান।
প্রকল্পের মনিটরিং অফিসার মোসা. শারমিন সুলতানার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্থানীয় কৃষি উন্নয়ন সমিতির সদস্য, কৃষক-কৃষাণী ও কৃষি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ফেব্রু ১৯, ২০২৪
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
নওগাঁ | ২০ জুলাই, ২০২৫
বরিশাল | ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
মাগুরা | ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
নওগাঁ | ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ঢাকা | ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ফরিদপুর | ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।