এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
মঙ্গলবার (২৩ জুন) রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত সিনেটে যৌথ প্রস্তাবটি ৫০-৪৮ ভোটে পাস হয়[3]। এর আগে চলতি মাসের শুরুর দিকে মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদেও (হাউস অব রিপ্রেজেন্টিটিভস) প্রস্তাবটি পাস হয়েছিল[3]।
সিনেটে রিপাবলিকানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ অবস্থানে থাকা সত্ত্বেও ট্রাম্পের নিজের দল ‘রিপাবলিকান পার্টি’র চারজন রক্ষণশীল সদস্য দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন[3]। অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাট শিবিরের প্রায় সব সদস্য প্রস্তাবটির পক্ষে অবস্থান নিলেও দলের একজন সদস্য এর বিপক্ষে অর্থাৎ ট্রাম্পের পক্ষে ভোট দেন[3]।
ঐতিহাসিক এই ভোটের পর সিনেটের শীর্ষ ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমার ট্রাম্প প্রশাসনের পররাষ্ট্র নীতির তীব্র সমালোচনা করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন[3]। তিনি বলেন, “বছরের পর বছর ধরে ট্রাম্প ইরানের ওপর ‘সর্বোচ্চ চাপ’ সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছিলেন[3][4]। কিন্তু তার এই বিপর্যয়কর যুদ্ধ মার্কিন জনগণের জন্য শেষ পর্যন্ত বিভ্রান্তি, বিশৃঙ্খলা এবং বিপুল ব্যয় ডেকে এনেছে[3]।”
এই সামরিক অভিযানকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের অন্যতম বড় ভুল আখ্যা দিয়ে তিনি আরও বলেন, “বারবার সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ রিপাবলিকানরা মার্কিন জনগণের পাশে না দাঁড়িয়ে ট্রাম্প ও তার যুদ্ধের পক্ষ নিয়েছেন[3]। ট্রাম্পের এই ঐতিহাসিক ভুলের চড়া মূল্য দিতে হয়েছে দেশের মানুষকে[3]। আমেরিকার ইতিহাসে এটি অন্যতম নিকৃষ্ট বৈদেশিক নীতি হিসেবে লেখা থাকবে[3]।”
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলের সাথে যৌথভাবে ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে ট্রাম্প প্রশাসন, যা পরবর্তী সময়ে পুরো অঞ্চলজুড়ে একটি দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের রূপ নেয়[3]। হোয়াইট হাউসে দ্বিতীয় মেয়াদে ফিরে আসার পর ইরানের বিরুদ্ধে এটি ট্রাম্পের দ্বিতীয় সামরিক হস্তক্ষেপ[3]।
এর আগে ২০১৫ সালের জুনে ইরানের পরমাণু সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচির তিনটি প্রধান স্থাপনায় বোমারু বিমান পাঠিয়েছিলেন ট্রাম্প[3]। ট্রাম্পের দাবি ছিল— ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখতেই এই যুদ্ধ অনিবার্য ছিল, যদিও ইরান শুরু থেকেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির আকাঙ্ক্ষার কথা অস্বীকার করে আসছে[3]।
প্রেসিডেন্টের যুদ্ধকালীন একক ক্ষমতা খর্ব করার লক্ষ্যে মার্কিন সিনেটে এ নিয়ে দশমবারের মতো এই যুদ্ধ ক্ষমতা প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়[3]। তবে হোয়াইট হাউস বা ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি— এই প্রস্তাবটি অসাংবিধানিক এবং এটি মানতে তারা আইনত বাধ্য নয়[3]।
নভেম্বর ৩০, ২০২৫
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
জাতীয় | ২৪ জুন, ২০২৬
বিনোদন | ২৪ জুন, ২০২৬
আন্তর্জাতিক | ২৪ জুন, ২০২৬
জাতীয় | ২৪ জুন, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৪ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।