ইকরার মৃত্যু: দুই দিনের রিমান্ডে অভিনেতা জাহের আলভী

অনলাইন ডেস্কঃ
২৪ জুন, ২০২৬ ৬:২৬ পিএম
শেয়ার করুন:
ইকরার মৃত্যু: দুই দিনের রিমান্ডে অভিনেতা জাহের আলভী

ছোট পর্দার পরিচিত অভিনেতা মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূইয়া ওরফে জাহের আলভীকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত। স্ত্রী আফরা ইভনাত ইকরার আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এ রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। আদালত সূত্রে রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিএমএম আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট হারুনুর রশিদ।

এর আগে, গত ২১ জুন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিবি পুলিশের মিরপুর জোনাল টিমের পরিদর্শক আব্দুল মালেক আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানান। আদালত আজ বুধবার আসামির উপস্থিতিতে শুনানির দিন ধার্য করেছিলেন। 

তারও আগে, গত ১৮ জুন দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন জাহের আলভী। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালতে আলভীর পক্ষে শুনানি করেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির (বার) সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়াসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী। অন্যদিকে, বাদীপক্ষের আইনজীবীরা জামিনের বিরোধিতা করেন।

আসামিপক্ষের জামিন আবেদনে দাবি করা হয়, জাহের আলভী এই ঘটনার সাথে কোনোভাবেই জড়িত নন। প্রেমের বিয়ে হওয়ার কারণে ব্যক্তিগত ক্ষোভ ও প্রতিহিংসাবশত হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এই মামলাটি করা হয়েছে। মামলার এজাহারে আলভীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। এমনকি গত ২৫ ফেব্রুয়ারি যখন মামলাটি দায়ের করা হয়, তখন ঈদের নাটক নির্মাণের কাজে নেপালে অবস্থান করছিলেন আলভী।

মামলার বিবরণী:
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুর ডিওএইচএসের বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করেন তার পরিবারের সদস্যরা। পরে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ওই রাতেই ইকরার বাবা কবির হায়াত খান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। তার অভিযোগ, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও মানসিক-শারীরিক নির্যাতনের কারণেই ইকরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন আলভী ও ইকরা। এই দম্পতির একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। এই মামলার অপর আসামি ও আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি গত ৪ জুন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন লাভ করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।