এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
বান্দরবানের রুমায় কাবিটা-কাবিখা'র দুই লক্ষ ৫০ হাজার টাকার প্রকল্পের কাজ মাত্র ১৫হাজার টাকায় কাজ করিয়ে অর্ধেকের টাকা উত্তোলন করে নেওয়া হয়েছে। ৩০জুনের আগে প্রকল্পের বাকি অর্ধেক টাকা বা চুড়ান্ত বিল উত্তোলনের প্রক্রিয়া চলছে।
এলিম- ছাংদালা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খেলার মাঠ সংস্কারের কথা থাকলেও তা নাকরে ছাংদালা পাড়ার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জমিতে ঝোপ জঙ্গল পরিষ্কার করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছেন- পাইন্দু ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বার অংখ্যাইসা মার্মা এর বিরুদ্ধে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষের ঝড় ওঠেছে।
স্থানীয় পাড়াবাসী ও সংশ্লিষ্টদের সূত্রমতে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৩০০আসনে মাননীয় সংসদ সদস্যের অনুকূলে কাবিটা- কাবিখা কর্মসূচির আওতায় ১নং পাইন্দু ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ' এলিম-ছাংদালা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ সংস্কার প্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দ নেয়া হয় দুই লক্ষ ৫০হাজার টাকা।
স্থানীয়দের অভিযোগ , মেম্বার অংখ্যাইসা মার্মা প্রকল্প গ্রহণের কথা জানাইলেও এর বরাদ্ধ মাত্র ৩০ হাজার টাকা কথা জানিয়েছেন। তবে প্রকল্পের বিপরীতে প্রকৃত বরাদ্ধের কথা বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শিক্ষক কিংবা পাড়াবাসীকে কখনো জানানো হয়নি বলে জানিয়েছেন ছাংদালা পাড়া বাসিন্দা আছোমং মার্মা ও উচথোয়াই মার্মা। এ কাজে দুই লক্ষ ৫০ হাজার বরাদ্ধের কথা বিভিন্নভাবে জানার পর বিষয়টি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এর মধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে একটি অভিযোগ পত্র দেয়া হয়েছে।
আছোমং মার্মার ভাষ্য মতে, খেলার মাঠ করার কথা বলে এক সপ্তাহের আগে তাঁর হাতে ১২,০০০ টাকা তুলে দেন স্থানীয় মেম্বার ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি অংখ্যাইসা মার্মা।
আছোমং মার্মা বলেন, টাকা নেয়ার সময় জানতে চাইলে মেম্বার অংখ্যাইসা মারমা তাঁকে বলেছেন, যেখানে সুবিধা, সেখানে খেলা মাঠের জন্য কাজ করতে এবং কাজের ছবি মেম্বারকে দিতে বলা হয়।
তাঁর কথা অনুসারে বৌদ্ধ বিহারের জমিতে খালি জায়গায় দৈনিক ৪০০টাকায় নারী-পুরুষ ১২জন শ্রমিক নিয়ে একদিন ঝোপঝাড় পরিস্কার করে নেয়া হয়েছে।
বিষয়টি জানতে মোবাইল বারবার কল দিলেও প্রকল্পের সভাপতি ও ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বার অংখ্যাইসা মার্মা কল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
জানতে চাইলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোঃ কাউছার বলেন অধিকাংশ প্রকল্পের কাজ এর বিপরীতে চূড়ান্ত বিল দেয়া হয়নি এখনো।
সেসব প্রকল্প পরিদর্শন করে কাজ না করে থাকলে সেসব প্রকল্পের টাকা ফেরত দেয়া হবে সরকারি কোষাগারে।
ফেব্রু ৫, ২০২৪
জুলাই ১৮, ২০২৫
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
নোয়াখালী | ৬ আগস্ট, ২০২৬
নওগাঁ | ৬ আগস্ট, ২০২৬
পিরোজপুর | ৬ আগস্ট, ২০২৬
বান্দরবান | ৬ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ৬ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।