নাজিরপুরে জমে উঠেছে মাছ ধরা যন্ত্রের হাট

আল-আমীন হোসাইন, নাজিরপুর প্রতিনিধি, পিরোজপুরঃ
২৩ জুন, ২০২৬ ৩:০৩ পিএম
শেয়ার করুন:
নাজিরপুরে জমে উঠেছে মাছ ধরা যন্ত্রের হাট

বর্ষায় নতুন পানি আসার সাথে সাথে খাল-বিল, নদ-নদীতে দেখা মেলে বিভিন্ন প্রজাতির দেশীও প্রজাতি মাছের আনাগোনা। আর এসব মাছ ধরতে ব্যবহার হয় চাই বা দুয়ারীর অথবা খাদোইন।

পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার দিঘিরজান ও শ্রীরামকাঠি বাজারে জমে উঠেছে এসব মাছ ধরার চাই এর হাট। সপ্তাহে দুদিন এ সকল বাজারে হাজার হাজার মাছ ধরার চাই খুচড়া ও পাইকারী দরে বিক্রী হচ্ছে।

জানা গেছে, নাজিরপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বহু পরিবার চাই ও দুয়ারি তৈরীর সংঙ্গে জড়িত। বছরের বর্ষা মৌসুমের ৬ মাস তারা এ মাছ ধরার যন্ত্র তৈরির কাজে ব্যাস্ত থাকেন।

তল্লা ও কালী জিরা বাশঁ দিয়ে এ চাই তৈরি করা হয়। একটি বাশঁ দিয়ে ৭ থেকে ৮টি চাই তৈরি করা হয়। তবে একজন কারিগর একদিনে ৫ থেকে ৬ টির বেশি চাই তৈরি করতে পারে না। বাজারে এক কুড়ি চাই ৩০০০ হাজার টাকা থেকে ৪০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রী হয়ে থাকে। এ ছাড়া এক পিস চাই ১৩০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। এসব চাই তৈরির জন্য একটি বাশঁ কেনেন ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকার মধ্যে।

চাই তৈরির কারিগর সুদেব বৈরাগী জানান, তার পরিবারের সবাই মিলে বর্ষা মৌসুমের ৬ মাস চাই তৈরির কাজ করেন। বাশঁ কেনা থেকে শুরু করে সর্ম্পূন চাই তৈরি করতে যে কষ্ট আর খরচ হয় সে তুলনায় লাভ বেশি হয়না। তবে এ শিল্প এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে। 

এ দিকে উপজেলা মৎস্য আফিস বলেন, ‘মে মাস থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত প্রতিটি মাছের পেটেই ডিম থাকে। এই মা মাছ না ধরার জন্য জেলেদের বিভিন্ন প্রকার সচেতননতামূলক প্রশিক্ষান প্রদান করা হয়েছে। মাছ শিকারে জেলেরা বিভিন্ন ধরনের যন্ত্র বা জাল ব্যবহার করেন। এগুলো দমনে উপজেলা প্রসাশনের সহোযোগীতায় মাঝে মধ্যেই ভ্র্যম্যমান আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।