এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনার আবহে নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্র (মিসাইল) কর্মসূচিকে সম্পূর্ণ ‘অ-আলোচনাযোগ্য’ বলে পুনর্ব্যক্ত করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সম্প্রতি পাকিস্তান সফরকালে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আত্মরক্ষার জন্য ক্ষেপণাস্ত্র না থাকলে এতদিনে ইরানের পরিণতিও ‘গাজার মতো’ হতো।
প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, আত্মরক্ষার জন্য ইরানের যে ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি রয়েছে তা যদি আজ না থাকত, তবে ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র এতদিনে ইরানকে গাজার মতোই ধ্বংস করে দিত। তারা বৃদ্ধ বা শিশু—কারও প্রতিই কোনো দয়া দেখাত না। তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে জানান, কোনো পরিস্থিতিতেই এবং কখনোই ইরানের এই রক্ষণাত্মক সামরিক সক্ষমতা নিয়ে কারও সাথে কোনো আলোচনা করা হবে না।
এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফও নিশ্চিত করেছেন যে, মধ্যস্থতাকারীদের উপস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে প্রাথমিক চুক্তি সই হয়েছে, সেখানে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের বিষয়ে কোনো উল্লেখ ছিল না।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি যৌথ বিমান হামলার মাধ্যমে ইরানে এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়। যুদ্ধ চলাকালীন তেহরান তার প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলো এবং ইসরায়েলের দিকে শত শত ক্ষেপণাস্ত্র ও হাজার হাজার ড্রোন ছুড়ে নিজেদের সামরিক শক্তির জানান দেয়।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে জানা যায়, ১৯৮০-এর দশকে ইরাক-ইরান যুদ্ধের সময় ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেশ দুর্বল ছিল। সেই দুর্বলতার ক্ষতিপূরণ হিসেবেই মূলত প্রাথমিকভাবে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তৈরি করা শুরু হয়। সময়ের সাথে সাথে ইরানের এই প্রযুক্তি আরও দূরপাল্লার ও নিখুঁত হয়ে উঠেছে। তবে ইরান থেকে প্রায় ১,৫০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে এই মিসাইল কর্মসূচিকে তাদের অস্তিত্বের জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখে আসছে।
সংঘাত শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত আলোচনার পাশাপাশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং তেহরানের সশস্ত্র সহযোগী গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন বন্ধের বিষয়গুলোও চুক্তির শর্তে অন্তর্ভুক্ত করতে চেয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে কিছুটা নরম অবস্থান নিতে দেখা গেছে।
গত সপ্তাহে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন, "অন্যান্য দেশের কাছে যদি এগুলো (মিসাইল) থাকে, তবে তাদের (ইরানের) কাছে কিছুটা না থাকাটা একটু অন্যায়।"
তবে ট্রাম্পের এই নমনীয় সুরের মাঝেও ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়া ইরান আজ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতো এবং এই সামরিক শক্তিই আজ তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে।
এপ্রিল ৪, ২০২৬
এপ্রিল ২৭, ২০২৬
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২৪ জুন, ২০২৬
চট্টগ্রাম | ২৪ জুন, ২০২৬
ফুটবল | ২৪ জুন, ২০২৬
আন্তর্জাতিক | ২৪ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।