ঢাকাসহ ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ

অনলাইন ডেস্কঃ
২২ জুন, ২০২৬ ৫:০৯ পিএম
শেয়ার করুন:
ঢাকাসহ ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ

কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য নাশকতার আশঙ্কায় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে[1][2]। জেলাগুলো হলো— ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ ও চট্টগ্রাম[1][2]। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত সেনাসদস্যরা মাঠে থেকে জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করবেন[1][2]।

আজ সোমবার (২২ জুন) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) বরাত দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে[1][3]।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে কঠোর অবস্থানে ডিএমপি
এদিকে আগামীকাল ২৩ জুন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)[1][4]।

ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধ এবং নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে রাজধানীজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে[1][4]। এর অংশ হিসেবে ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত স্থানে ২০০টিরও বেশি বিশেষ পিকেট ও চেকপোস্ট স্থাপন করা হবে[1][4]। পাশাপাশি মহানগরের প্রতিটি প্রবেশপথে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হবে, যেন কোনো বহিরাগত বা সন্দেহভাজন ব্যক্তি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে[1][4]।

মাঠে থাকবে বিশেষায়িত ইউনিট ও ১৮ হাজার পুলিশ সদস্য
নিরাপত্তা জোরদার করতে নিয়মিত পুলিশ বাহিনীর পাশাপাশি মাঠে সক্রিয় থাকবে ডিএমপির বিশেষায়িত ইউনিটগুলো[1][5]। এর মধ্যে গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এবং কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে[1][5]। এছাড়া যেকোনো ধরনের আগাম ষড়যন্ত্র রুখে দিতে সাদা পোশাকে স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) এবং ইন্টারনাল অ্যাফেয়ার্স ডিভিশনের (আইএডি) সদস্যরা গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রাখবেন[1][5]।

যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি দ্রুত ও কার্যকরভাবে মোকাবিলা করার জন্য রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ১৫টি কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) প্রস্তুত রাখা হবে[1][5]। একই সঙ্গে ডিএমপির ৪টি প্রধান কন্ট্রোল রুমে পর্যাপ্ত রিজার্ভ ফোর্স স্ট্যান্ডবাই বা প্রস্তুত অবস্থায় থাকবে[1][5]।

ডিএমপি জানিয়েছে, সার্বিক এই নিরাপত্তা কার্যক্রমে ১৮ হাজারেরও বেশি পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তা সরাসরি মাঠে নিয়োজিত থাকবেন[1][5]। যেকোনো মূল্যে জননিরাপত্তা বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে[1][4]।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।