এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
ভূরাজনীতি, জাতীয় স্বার্থ এবং দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতার নিরিখে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা[1]।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মালয়েশিয়ায় দ্বিপক্ষীয় সফর শেষে ২২ জুন বিকেলে কুয়ালালামপুর থেকে চীনের দালিয়ানের উদ্দেশে রওনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী[1]।
২৩ জুন: দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী[1]।
২৪ জুন: বিকেলে বুলেট ট্রেনে চড়ে বেইজিং পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীরা[1]।
২৫ ও ২৬ জুন: বেইজিংয়ে ব্যস্ত সময় কাটাবেন তিনি। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এবং চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিকবিষয়ক প্রধানের সঙ্গে তাঁর পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে[1]। এছাড়া তিনি একটি বিনিয়োগ ফোরামের বৈঠকেও অংশ নেবেন[1]।
সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন: প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জুবায়দা রহমান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ূন কবির, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং পররাষ্ট্র সচিবসহ উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা[1]।
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে এই সফরে ৩টি চুক্তি ও ১০টিরও বেশি সমঝোতা স্মারক সই হতে যাচ্ছে[1]। সহযোগিতার প্রধান ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে:
শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন[1]
কৃষি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ[1]
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও যোগাযোগ[1]
গণমাধ্যম ও উন্নয়ন সহযোগিতা[1]
এছাড়াও, চীনের কমিউনিস্ট পার্টি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা বাড়াতে একটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে[1]।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কূটনৈতিকদের মতে, এই সফরের মাধ্যমে ঢাকা-বেইজিং রাজনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্কের একটি নতুন ভিত্তি তৈরি হতে যাচ্ছে[1]。
যৌথ ইশতেহার: দীর্ঘ দুই দশক পর এই শীর্ষ বৈঠক শেষে দুই দেশের পক্ষ থেকে ‘যৌথ ইশতেহার’ ঘোষণা করা হবে[1]। এর আগে ২০০৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বেইজিং সফরের সময় যৌথ ইশতেহার ঘোষণা করা হয়েছিল[1]।
আন্তর্জাতিক ফোরামে সমর্থন: সফরে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ‘ওয়ান চায়না’ নীতি এবং তাইওয়ান ইস্যুতে চীনের অবস্থানের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করা হবে[1]। পাশাপাশি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ‘গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ’ (GDI)-এ বাংলাদেশের যুক্ত হওয়ার ঘোষণা আসতে পারে[1]। অন্যদিকে আরসিইপি (RCEP), ব্রিকস (BRICS) ও সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনে (SCO) যুক্ত হওয়ার বিষয়ে বেইজিংয়ের সমর্থন চাইবে ঢাকা[1]।
সফরে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা ও টেকসই নদী প্রকল্প[1]। আশা করা হচ্ছে, তিস্তা মহাপরিকল্পনায় চীনের যুক্ত হওয়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে, যদিও অর্থায়নের বিষয়টি চূড়ান্ত হতে আরও কিছু কারিগরি ও আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে[1]।
এছাড়া রেল যোগাযোগ, গ্রিন এনার্জি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষিসহ প্রায় ১২-১৩টি খাতে চীন থেকে প্রকল্প ও অর্থনৈতিক সহায়তা চাওয়া হবে[1]।
অধ্যাপক এম শহীদুজ্জামান (আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক): তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে মালয়েশিয়া ও চীনকে বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত বিচক্ষণ বলে উল্লেখ করেছেন[1]। ভারতের সাথে সম্পর্কের বিদ্যমান টানাপোড়েনের মাঝে এই চীন সফর বাংলাদেশের জন্য একটি অত্যন্ত জোরালো কূটনৈতিক বার্তা হিসেবে কাজ করবে[1]। তিনি চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর জোর দেন[1]।
এম হুমায়ূন কবির (সাবেক রাষ্ট্রদূত): তাঁর মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের বড় ধরণের অর্থনৈতিক ও ক্যাশ সাপোর্ট প্রয়োজন, যা বেইজিংয়ের পক্ষেই দেওয়া সম্ভব[1]। তাই এই সফরের অর্থনৈতিক দিকটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ[1]। একই সাথে তিনি উল্লেখ করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে যদি বেইজিংয়ের কোনো কৌতূহল থাকে, তবে সেটিরও যৌক্তিক ও সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রস্তুত রাখা দরকার[1]।
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২০ জুন, ২০২৬
জাতীয় | ২০ জুন, ২০২৬
জাতীয় | ২০ জুন, ২০২৬
জাতীয় | ২০ জুন, ২০২৬
জাতীয় | ২০ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।