এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
আলীকদমের দুর্গম পাহাড়ি ঝরনায় এক নারী পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনায় ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সাম্প্রতিক সময়ে আলীকদম সেনা জোনে “Tour Expert” নামের একটি ফেসবুকভিত্তিক ট্রাভেল গ্রুপের মূল সংগঠক বর্ষা ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তার গুরুতর দায়িত্বহীনতা ও অব্যবস্থাপনার চিত্র উঠে আসে।
তদন্ত সূত্রে জানা যায়, বর্ষা ইসলাম মাত্র একজন গাইড নিয়ে ৩৩ জন পর্যটককে বিপদসংকুল এলাকায় নিয়ে যান, যা পর্যটন নীতিমালার মারাত্মক লঙ্ঘন। অভিযানের গন্তব্য ছিল আলীকদমের ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি ঝরনা ও খালঘেরা ট্রেইল। এসব এলাকায় প্রবেশে প্রশাসনের অনুমতি ও অভিজ্ঞ লোকাল গাইড আবশ্যক হলেও তা উপেক্ষা করা হয়।
বর্ষা ইসলাম দাবি করেন, তিনি শুধু ৫ দিনের ট্যুরের অংশ ছিলেন এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে ৩ দিনের অন্য ট্যুরে, যার নেতৃত্বে ছিলেন কো-অপারেটর হাসান। কিন্তু তদন্তে উঠে এসেছে, পুরো সফরের নেপথ্যে বর্ষারই পরিকল্পনা ছিল এবং তিনিই মূল ব্যবস্থাপনায় ছিলেন।
আলীকদম সেনা জোনের ভারপ্রাপ্ত জোন কমান্ডার মনজুর মোর্শেদ গণমাধ্যমকে জানান, বর্ষা ইসলামের বিরুদ্ধে দুটি গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। প্রথমত, তিনি নিজের পরিচয় গোপন রেখে প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই বিপজ্জনক এলাকায় পর্যটক নিয়ে যান। দ্বিতীয়ত, স্থানীয় গাইড ও নিরাপত্তা ছাড়াই অভিযানে যান, যা জীবনের ঝুঁকি বাড়ায়।
জিজ্ঞাসাবাদে বর্ষা ইসলাম একটি বিতর্কিত বক্তব্য দেন—তিনি দাবি করেন, মৃত নারী পর্যটক ও নিখোঁজ কো-অপারেটর হাসানের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল, যা দায়িত্ব পালনে প্রভাব ফেলে এবং এ নিয়েই তাদের মধ্যে তর্ক হয়। তবে তদন্ত কর্মকর্তারা এই দাবিকে তার দায় এড়ানোর চেষ্টা হিসেবেই দেখছেন।
সেনাবাহিনীর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বর্ষা ইসলামকে পুলিশের হেফাজতে হস্তান্তর করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে “পর্যটন নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘন” এবং “প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া বিপজ্জনক এলাকায় পর্যটক প্রবেশ করানো”-র অভিযোগে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হলে দেশে ফেসবুক ও অনলাইনভিত্তিক ভ্রমণ গ্রুপগুলোর কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা পাবে। বর্তমানে এসব গ্রুপের একটি অংশ নিয়মবহির্ভূত ও বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বিপজ্জনক অভিযানের আয়োজন করে, যা পর্যটকদের জীবন হুমকির মুখে ফেলে।
সচেতন মহল মনে করছেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধে পর্যটন নীতিমালা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন, প্রশাসনিক অনুমতি, প্রশিক্ষিত গাইড এবং পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিয়ম ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থাও গ্রহণ করা জরুরি।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ১০ আগস্ট, ২০২৬
কুষ্টিয়া | ১০ আগস্ট, ২০২৬
নোয়াখালী | ১০ আগস্ট, ২০২৬
নোয়াখালী | ১০ আগস্ট, ২০২৬
পিরোজপুর | ১০ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।