বোয়ালমারীতে উৎসবমুখর পরিবেশে মহানামযজ্ঞ সম্পন্ন: সাবেক এমপি খন্দকার নাসিরুলের শুভেচ্ছা বিনিময়

এম এম জামান, বোয়ালমারী প্রতিনিধি, ফরিদপুরঃ
১৫ আগস্ট, ২০২৬ ৪:১৬ পিএম
শেয়ার করুন:
বোয়ালমারীতে উৎসবমুখর পরিবেশে মহানামযজ্ঞ সম্পন্ন: সাবেক এমপি খন্দকার নাসিরুলের শুভেচ্ছা বিনিময়

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে ৩২ প্রহরব্যাপী শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম মহানামযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানটি পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী ভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহ-সভাপতি খন্দকার নাসিরুল ইসলাম।

উপজেলার ময়না ইউনিয়নের ময়না গ্রামের ফটিক চন্দ্র বিশ্বাসের বাসভবনে এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রয়াত শ্রীমতি রমা রানী বিশ্বাসের ১১তম তিরোধান তিথি এবং শ্রী উজ্জ্বল কুমার বিশ্বাসের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে এই মহানামযজ্ঞের আয়োজন করা হয়। এতে ধর্মীয় আলোচনা, মহানাম সংকীর্তন, নগর পরিক্রমা ও মহাপ্রসাদ বিতরণসহ নানা মাঙ্গলিক কর্মসূচি পালিত হয়। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) চার দিনব্যাপী এ ধর্মীয় উৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

অনুষ্ঠান পরিদর্শনকালে সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার নাসিরুল ইসলাম ভক্ত ও আয়োজকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় উপস্থিত ভক্তদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদেরই লোক। আপনারা আমাকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছেন। আমি প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার ভোট পেয়েছিলাম, যা এ যাবৎকালের মধ্যে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে সর্বোচ্চ। এবার আমি সংসদে না থাকলেও আমার দল বিএনপি সব নাগরিকের অধিকার সংরক্ষণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি আপনাদের অধিকার আদায়ে অতীতে যেমন সচেষ্ট ছিলাম, ভবিষ্যতেও পাশে থাকব। আপনারা আমাকে ভাই ও সন্তান হিসেবে আপনাদের প্রার্থনায় রাখবেন।’

এ সময় সাবেক এই এমপির সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বাবু সঞ্জয় কুমার সাহা, পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি খান আতাউর রহমান, ময়না ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা মো. আজম মৃধা, সাতৈর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাফিউল আলম মিন্টু, বিএনপি নেতা জাকির হোসেন টিআই এবং জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম জহিরসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

মহানামযজ্ঞ উপলক্ষে ময়না গ্রাম ও আশপাশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। দূর-দূরান্ত থেকে আসা কৃষ্ণভক্তদের হরিনাম সংকীর্তনে দিন-রাত মুখরিত ছিল পুরো অনুষ্ঠানস্থল। ভক্তরা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রয়াত স্বজনদের আত্মার শান্তি কামনা করেন। 

অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকা পলাশ বিশ্বাস বলেন, ‘প্রয়াত স্বজনদের স্মরণ ও তাঁদের আত্মার শান্তি কামনার পাশাপাশি সনাতন ধর্মীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধরে রাখতেই প্রতিবছর এ ধরনের আয়োজন করা হয়। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে অসংখ্য মানুষের উপস্থিতিতে পুরো আয়োজনটি প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর হয়ে উঠেছিল।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।