এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
যে কারণে বাড়ছে পদত্যাগের চাপ
গত কয়েক মাস ধরেই কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে লেবার পার্টির ভেতরে অসন্তোষ ও চাপ বাড়ছিল[2][3]। গত শুক্রবার (১৯ জুন) তাঁর রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ডি বার্নহাম পার্লামেন্টের একটি উপনির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর এই চাপ চরম আকার ধারণ করে[2][4]। এই জয়ের ফলে বার্নহামের জন্য স্টারমারের নেতৃত্বকে আনুষ্ঠানিকভাবে চ্যালেঞ্জ করার পথ সুগম হয়েছে[2]।
অবজারভারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিয়ার স্টারমার বর্তমানে তাঁর গ্রামীণ সরকারি বাসভবন 'চেকার্স'-এ সস্ত্রীক সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করছেন এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন[2]। দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা আশা করছেন, সোমবারের মধ্যেই তিনি নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি স্পষ্ট বক্তব্য দেবেন[2]।
সরকারি মহলের প্রতিক্রিয়া
অবশ্য স্টারমার-ঘনিষ্ঠ সরকারি সূত্রগুলো দাবি করছে যে তিনি এখনো দায়িত্ব পালনে অনড় রয়েছেন[2]। গত শুক্রবারও এক বিবৃতিতে স্টারমার বলেছিলেন, নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ তিনি মোকাবিলা করবেন এবং তিনি দলকে কোনো ধরনের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে না জড়ানোর আহ্বান জানান[2]।
জনপ্রিয়তা হ্রাস এবং রাজনৈতিক সংকট
২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বে মধ্য-বামপন্থি লেবার পার্টি এক বিশাল জয় পেলেও পরবর্তী সময়ে নানা বিতর্ক ও নীতিগত অবস্থান পরিবর্তনের কারণে তাঁর জনপ্রিয়তা দ্রুত হ্রাস পায়[2][3]। ভোটারদের একটি বড় অংশের অভিযোগ—তিনি মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছেন[2][3]।
যদি কিয়ার স্টারমার শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করেন বা ক্ষমতাচ্যুত হন, তবে এটি হবে গত এক দশকে ব্রিটেনে সপ্তম কোনো প্রধানমন্ত্রীর পরিবর্তন[2]। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশটির ভঙ্গুর জনসেবামূলক খাত ও অবৈধ অভিবাসন সমস্যা সমাধানে ধারাবাহিক ব্যর্থতারই বড় প্রতিফলন এই রাজনৈতিক অস্থিরতা[2]।
বর্তমানে লেবার পার্টির হাউস অব কমন্সের ১০০ জনেরও বেশি সংসদ সদস্য (যা দলের মোট এমপির প্রায় এক-চতুর্থাংশ) প্রকাশ্যেই স্টারমারের পদত্যাগ অথবা তাঁর দায়িত্ব ছাড়ার স্পষ্ট সময়সূচি ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন[2]।
উত্তরসূরি হিসেবে আলোচনায় অ্যান্ডি বার্নহাম
৫৬ বছর বয়সী অ্যান্ডি বার্নহামকে বর্তমানে স্টারমারের সবচেয়ে সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে[2]। সমঝোতার মাধ্যমে বা দলীয় নেতৃত্বের আনুষ্ঠানিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে তিনি ক্ষমতায় আসতে পারেন।
ইংল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলীয় শহর গ্রেটার ম্যানচেস্টারের সাবেক এই জনপ্রিয় মেয়র লেবার পার্টির ভেতর নিজের শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছেন[2][3]। গত শুক্রবারের উপনির্বাচনে তিনি ডানপন্থি ‘রিফর্ম ইউকে’ দলের প্রার্থীকে অনায়াসেই পরাজিত করে জয় ছিনিয়ে নেন[4]। বিজয়ী ভাষণে তিনি দেশের স্বার্থে এক নতুন পথের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তাঁকে আরও এগিয়ে দিয়েছে[2][4]। তাঁর ঘনিষ্ঠরা ইতিমধ্যে স্টারমারকে স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়িয়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংও জানিয়েছেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজন হলে তিনি স্টারমারের বিরুদ্ধে নেতৃত্বের লড়াইয়ে অংশ নিতে প্রস্তুত আছেন[3]। অন্যদিকে ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য টাইমস-এর সূত্রমতে, বার্নহাম প্রধানমন্ত্রী হলে বর্তমান অর্থমন্ত্রী রাচেল রিভিসকে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে।
জুন ৮, ২০২৬
ফেব্রু ১৮, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
রাঙ্গামাটি | ২১ জুন, ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২১ জুন, ২০২৬
বান্দরবান | ২১ জুন, ২০২৬
পিরোজপুর | ২১ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।