এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ইনিংসে বড় সংগ্রহের সম্ভাবনা জাগিয়েও দ্বিতীয় দিনটি স্বস্তিতে শেষ করতে পারল না বাংলাদেশ। প্রথম দিনে দাপট দেখালেও আজ মাত্র ৭৫ রানে শেষ ৬ উইকেট হারিয়ে ৪১৩ রানেই গুটিয়ে গেছে স্বাগতিকদের ইনিংস। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১ উইকেট হারিয়ে ১৭৯ রান তুলে দ্বিতীয় দিন পার করেছে পাকিস্তান। বাংলাদেশ এখনো ২৩৪ রানে এগিয়ে থাকলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ কিছুটা আলগা হয়ে পড়েছে।
টাইগারদের ব্যাটিং বিপর্যয়:
আগের দিনের দাপুটে ব্যাটিংয়ের পর আজ বড় সংগ্রহের প্রত্যাশা ছিল সবার। কিন্তু দ্বিতীয় দিনে পাকিস্তানি বোলারদের তোপের মুখে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের লোয়ার অর্ডার। মাত্র ৭৫ রান যোগ করতেই অবশিষ্ট ৬টি উইকেটের পতন ঘটে। ফলে ৪১৩ রানেই থামতে হয় নাজমুল হোসেন শান্তর দলকে।
পাকিস্তানের শক্ত প্রতিরোধ:
জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ সূচনা করেন দুই পাকিস্তানি ওপেনার আজান আওয়াইস এবং ইমাম-উল-হক। শুরু থেকেই বাংলাদেশি বোলারদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে খেলেন তারা। প্রায় ৫-এর কাছাকাছি রান রেট বজায় রেখে ইনিংস এগিয়ে নেন দুই ওপেনার। তাসকিন আহমেদ এবং ইবাদত হোসেন চৌধুরী কয়েকবার সুযোগ তৈরি করলেও ফিল্ডারদের ব্যর্থতায় তা সফল হয়নি। ফলে কোনো উইকেট না হারিয়েই ৫০ রান তুলে চা বিরতিতে যায় পাকিস্তান।
মিরাজের একমাত্র সাফল্য:
বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন আজান ও ইমাম। উদ্বোধনী জুটিতেই তারা পার করেন ১০০ রানের গণ্ডি। অবশেষে টাইগার শিবিরে স্বস্তি ফেরান মেহেদী হাসান মিরাজ। ৭২ বলে ৪৫ রান করা ইমাম-উল-হককে সাজঘরে পাঠিয়ে ব্রেকথ্রু এনে দেন এই অফ-স্পিনার।
দিনের শেষভাগ:
ইমামের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন আব্দুল্লাহ ফজল। আজান আওয়াইসের সঙ্গে মিলে তিনি ইনিংস মেরামতের কাজ শুরু করেন। দিনের শেষ দিকে উইকেটে কিছুটা টার্ন থাকলেও বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে তা সামলে নেন এই দুই ব্যাটার। কোনো প্রকার ঝুঁকি না নিয়ে দেখেশুনে খেলে দিন শেষ করেন তারা।
দ্বিতীয় দিন শেষে ৪৬ ওভার খেলে পাকিস্তানের সংগ্রহ ১ উইকেটে ১৭৯ রান। আজান আওয়াইস ১৩৩ বলে ৮৫ রান এবং আব্দুল্লাহ ফজল ৭৮ বলে ৩৭ রানে অপরাজিত আছেন।
বাংলাদেশের পক্ষে একমাত্র উইকেটটি লাভ করেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। পেস ইউনিটে তাসকিন, নাহিদ রানা ও ইবাদতরা আজ সেভাবে প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি, যা দিনশেষে স্বাগতিক শিবিরের দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জুলাই ১৩, ২০২৬
জুলাই ২৭, ২০২৬
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
ঢাকা | ১৪ আগস্ট, ২০২৬
নোয়াখালী | ১৪ আগস্ট, ২০২৬
নোয়াখালী | ১৪ আগস্ট, ২০২৬
নোয়াখালী | ১৪ আগস্ট, ২০২৬
নোয়াখালী | ১৪ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।