এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে সরকারি খাসজমি জোরপূর্বক ভরাট করে রাতের আঁধারে দোকান ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (২ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে শ্রীনগর-মুন্সীগঞ্জ সড়কের পাটাভোগ এলাকায় হাজী নজরুল ইসলাম কিন্ডারগার্টেনের পাশে প্রায় দেড় কোটি টাকা মূল্যের এই জমিতে নির্মাণকাজ শুরু করে তারা।
জানা যায়, পাটাভোগ মৌজার ১নং খাস খতিয়ানের ১১৬ দাগভুক্ত প্রায় ১৫ শতক সরকারি জমিতে পাটাভোগ এলাকার মৃত নুর ইসলাম মেম্বারের পুত্র শেখ রিংকুর নেতৃত্বে এবং তার শ্যালক ফেমাস হাসপাতালের মালিক আমিনুল ইসলাম গং এক মাস আগে থেকেই দখলের প্রস্তুতি নেয়। প্রথমে সরকারি সাইনবোর্ড ফেলে দিয়ে জায়গাটি টিনের বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়। এরপর শ্রীনগর উপজেলা যুবদলের এক নেতার সহায়তায় ড্রাম ট্রাকে করে বালু ফেলে জায়গাটি ভরাট করা হয়।
স্থানীয়রা বিষয়টি ইউনিয়ন ভূমি অফিসকে অবহিত করলেও, অভিযোগ রয়েছে, উল্টো তথ্যদাতাদের নাম প্রকাশ করে দেওয়া হয়, ফলে রিংকুগং তাদের হুমকি দেয়। ইতোমধ্যে জায়গায় ইট, বালু ও পাথর এনে মজুত করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে সেখানে দোকান ঘরের নির্মাণ কাজ শুরু করে চক্রটি।
স্থানীয়রা আরও জানান, কয়েক বছর আগে ওই জমির পেছনের একটি অংশ কিনে নেয় আমিনুল ইসলাম গং। পরে সেখানে ‘ফেমাস হাসপাতাল’ নামের সাইনবোর্ড বসানো হয়। সরকারি জমি দখলের কিছুদিন আগে শেখ রিংকুর নামে আরেকটি সাইনবোর্ড টাঙানো হয়। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, মূল মালিকানা আমিনুল ইসলাম হলেও, এলাকার প্রভাব বিস্তারে রিংকুর নাম ব্যবহার করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে আমিনুল ইসলাম দাবি করেন, জায়গার কিছু অংশ তিনি তার বোনজামাই রিংকু শেখকে লিখে দিয়েছেন এবং সেখানেই ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। তবে তিনি স্বীকার করেন, সরকারি অংশের মাটি সরিয়ে নেওয়া হবে।
রিংকু শেখ দাবি করেন, লেবারদের বসবাসের জন্য ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে এবং জেলা পরিষদ থেকে জমিটি লিজ নেওয়া হয়েছে। তবে ১নং খাস খতিয়ানের জমি কীভাবে জেলা পরিষদের আওতায় আসে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোনো সুস্পষ্ট উত্তর দিতে পারেননি।
এ বিষয়ে শ্রীনগর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি আমাদের জানা আছে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তবে এতদিনে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি—এই প্রশ্নে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
কুষ্টিয়া | ১৫ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৫ আগস্ট, ২০২৬
মাগুরা | ১৫ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৫ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৫ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।