শ্রীনগরে চাষের পুকুরে বিষ প্রয়োগে ৫ লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ

এমএ কাইয়ুম মাইজভান্ডারি, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, মুন্সীগঞ্জঃ
১৫ জুন, ২০২৬ ৫:৩০ পিএম
শেয়ার করুন:
শ্রীনগরে চাষের পুকুরে বিষ প্রয়োগে ৫ লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে স্বপন দাস নামে এক মৎস্যচাষীর ভাড়া নেয়া পুকুরে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (১৪ জুন) ভোরে উপজেলা ষোলঘর ইউনিয়নের ষোলঘর সদারামপুর হরিসভা মন্দিরে দক্ষিন পার্শ্বের পুকুরে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের এ ঘটনা ঘটে। 

 মৎস্যচাষী স্বপন দাস ঐ এলাকার নারায়ণ দাসের ছেলে।

মৎস্যচাষী স্বপন দাস অভিযোগ করে বলেন, আমার নিজ বসতবাড়ী সংলগ্ন পূর্ব পার্শ্বের এজমালী এক একরের পুকুরটি দুই বছর মেয়াদে তিন লক্ষ পনের হাজার টাকা দিয়ে এই বছর প্রথম মেহেদী আলামিন ও মনু দাসসহ অন্যান্য অংশীদার কাছ থেকে ভাড়া নিয়ে বিভিন্ন জাতের মাছ চাষ করি। এই জ্যৈষ্ঠ মাসেই আমার ভাড়া নেয়ার মেয়াদ শেষ বিধায় আমি মাছ ধরা শুরু করেছি। আজ ভোরে পুকুরের দক্ষিন পাড়ে গিয়ে দেখি পুকুরের মাছ মরে ভেসে উঠছে এবং পুকুরের পানিতে একটি বিষ ভর্তি ব্যাগ ভাসছে। পরে আমি বিষের ব্যাগ নিয়ে বাড়ীতে রেখে দেই। বিষ প্রয়োগের ফলে পুকুরের মাছ মরে আমার প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। কে বা কারা এটা করেছে আমরা জানি না। যারা ঘটনাটি ঘটিয়েছে অবশ্যই সুপরিকল্পিতভাবে করেছে। আমার দুই বছরের সাধনা আমার স্বপ্ন শেষ করে দিয়েছে। আমি কাউকে দেখিনি তবে কারো ইশারায় এ ঘটনাটা ঘটিয়েছে বলে মনে হচ্ছে। আমাকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য এ কাজ করা হয়েছে।

পুকুরের অংশীদার মেহেদী আলামিন বলেন, পুকুরটি ২ বছরের জন্য ৩ থেকে ৪ লক্ষ টাকা বিক্রি হয়। মাঝে ৩ বছর পুকুরটি বিভিন্ন কারণে বিক্রি বন্ধ ছিল। আজকে মাছ ধরে নিয়ে গেল এর বলা হচ্ছে বিষ দেয়া হয়েছে বিষ কিনা আমি জানি না ফরেনসিক টেস্ট হলে বলা যাবে। এখানে যড়যন্ত্র আছে কিনা বিষয়টি পুলিশ প্রশাসন সবাইকে বলবো আপনারা একটু তদন্ত করেন। 

এ বিষয়ে শ্রীনগর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মনোয়ারা বেগম বলেন, বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ করতে হবে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এই বিষয়ে তদন্ত করবেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।