এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
বান্দরবান জেলা শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করে মনগড়া কর্মকান্ডের অভিযোগ ওঠেছে। অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) কর্তৃক বিগত ১২ ডিসেম্বগর/২৪-এ স্বাক্ষরিত 'বদলি, অবসর ও অন্যান্য কারণে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারগণের দায়িত্ব হস্তান্তর/অতিরিক্ত দায়িত্ব গ্রহন প্রসঙ্গে' দেয়া নির্দেশনার প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে চলছেন জেলা শিক্ষা অফিসার(ভারপ্রাপ্ত) আবু ছালেহ মুহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন। জেলা শিক্ষা অফিসারগনকে বলা হয় ডিইও। বৈষম্য বিরোধী ছাত্রজনতার অভিযোগ; বান্দরবানের ডিইও'র উপর আওয়ামী পেতাত্মা ভর করে বসে আছে। এই কর্মকর্তা ড. ইউনুস প্রশাসনের সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে কোনো ধরনের গুরুত্ব দিচ্ছেন না। জেলা শিক্ষা অফিসারের স্বেচ্ছাচারিতার উদাহারণ হেসেবে জানানো হয়,'বিগত ১২ ডিসেম্বর/২৪ তারিখে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের দাপ্তরিক কাজের গতিশীলতা আনায়ন ও দ্রুতসেবা প্রদানের লক্ষ্যে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারগণের বদলি, অবসর ও অন্যান্য কারণে দায়িত্ব হস্তান্তর/অতিরিক্ত দায়িত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে ৪টি সিদ্ধান্ত নেন নীতি নির্ধারনী মহল। সিদ্ধান্তগুলো হচ্ছে;
১. উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার অন্যত্র বদলির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপজেলায় সহকারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কর্মরত থাকলে তার নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আর্থিক ক্ষমতা প্রাপ্তির জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে এ অধিদপ্তরে আবেদন প্রেরণ করবেন।
২. উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার অন্যত্র বদলির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপজেলায় সহকারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কর্মরত না থাকলে জেলা শিক্ষা অফিসার নিকটবর্তী উপজেলার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারদের নিকট দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আর্থিক ক্ষমতা প্রাপ্তির জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে এ অধিদপ্তরে আবেদন প্রেরণ করবেন। ৩. মৃত্যুজনিত কারণে কোনো উপজেলায় পদশূন্য হলে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা শিক্ষা অফিসার উপরে ১ ও ২নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত নির্দেশনা মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করে কর্মকর্তার নাম উল্লেখপূর্বক অতিরিক্ত দায়িত ও আর্থিক ক্ষমতা প্রদানের জন্য এ অধিদপ্তরে আবেদন প্রেরণ করবেন। ৪. অবসরজনিত কারণে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের পদশূন্যের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার পিআরএল গমনের কমপক্ষে ১ (এক) মাস পূর্বে জেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট পদশূন্যের বিষয়টি অবহিত করবেন এবং জেলা শিক্ষা অফিসার উপরে ১ ও ২নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত নির্দেশনা মোতাবেক কর্মকর্তার নাম উল্লেখপূর্বক অতিরিক্ত দায়িত্ব ও আর্থিক ক্ষমতা প্রদানের জন্য এ অধিদপ্তরে আবেদন প্রেরণ করবেন।' স্মারক নং- ৩৭.০২. ০০০০. ১০১.৯৯. ০০৬.২২-১৮৪৪৪/১২ মূলে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) মোঃ খালিদ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে 'উল্লিখিত সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়।' কিন্তু বান্দরবানের ডিইও মাউশিঅ'র এই নির্দেশনার কোনো প্রতিফলন ঘটাননি। বৈষম্য বিরোধী ছাত্রজনতার দাবি, ঢাকার আদেশ নির্দেশকে তোয়াক্কা না করে; ২৪'র জুলাই বিপ্লবের চেতণা পরিপন্থি 'দিল্লির এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে এই কর্মকর্তা।' বান্দরবান জেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার আবু ছালেহ মুহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন আওয়ামী প্রশাসনের হয়ে দীর্ঘ বছর ধরে লামা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের দায়িত্ব কুক্ষিগত করে রেখেছেন।
অধিদপ্তরের সিদ্ধান্তমতে পাশ্ববর্তী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে লামা উপজেলার দায়িত্ব দেয়ার কথা। কিন্তু তা না করে, ডিইও নিজেই সেই দায়িত্ব নিজের কাছে ধরে রেখেছেন। লামা উপজেলায় বিগত কয়েক বছর ধরে তিঁনি মাসিক সমন্বয় সভা ও শিক্ষা কমিটির সভায় হাজির হননাই। এর ফলে মাধ্যমিক শিক্ষা প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ও হচ্ছে। এই ব্যাপারে ১৭ ফেব্রুয়ারি মধ্যাহ্নে জেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত)আবু ছালেহ মুহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন এর মুঠোফোনে জানতে চাইলে; তিনি মাউশিঅ'র চারটি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নির্দেশের পত্রটি পেয়েছেন বলে স্বীকার করেন। নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়ন না হওয়ার অন্তরালে কোন ধরণের বাঁধা আছে কিনা? এর উত্তরেও না সুচক জবাব দেন। তিনি জানান, ' বিগত ১২ ডিসেম্বের/২৪'র আগে অর্থাৎ অধিদপ্তরের সিদ্ধান্ত পত্র ইস্যুর আগে থেকে লামা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করে আসছি'। পত্র ইস্যুর পরে পাশে ও কাছের উপজেলা নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে কেনো লামার দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে না? এই প্রশ্নটি প্রথমে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে বলেন, 'নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার লামার দায়িত্ব নেয়ার যোগ্যতা রাখেন না'(!)। রোয়াংছড়ির বিষয়েও তিনি একই জবাব দেন। বিষয়টি মাউশিঅ'র সংশ্লিষ্ট ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষ নজর দেয়ার দাবি বিপ্লবী চেতনা ধারণকারী ছাত্রজনতা।
এপ্রিল ৯, ২০২৬
ডিসেম্বর ২০, ২০২৪
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ফরিদপুর | ২৩ জুন, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৩ জুন, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৩ জুন, ২০২৬
ফরিদপুর | ২৩ জুন, ২০২৬
নীলফামারী | ২৩ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।