এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
তথাকথিত ‘স্বাধীনভাবে বাঁচার’ স্বপ্ন ও নতুন জীবনের মোহে পড়ে পরিবারকে না জানিয়ে বাড়ি ছেড়েছিল কুমিল্লার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চার শিশু শিক্ষার্থী। বিদ্যালয়ে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে প্রথমে তারা ঢাকায় বাসা ভাড়া নেওয়ার চেষ্টা করে। সেখানে ব্যর্থ হয়ে শেষমেশ পৌঁছায় হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে। অবশেষে এক সচেতন অটোরিকশাচালকের তৎপরতায় ও পুলিশের হস্তক্ষেপে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে ওই চার শিক্ষার্থী।
উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে তিনজন পঞ্চম শ্রেণির এবং একজন তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।
পুলিশ সুপার জানান, গত সোমবার সকালে বিদ্যালয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হলেও তারা কেউ ক্লাসে যায়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানোর পর পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে অনুসন্ধানে নামে। বিভিন্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং দেশের অন্যান্য থানায় তাদের ছবি ও তথ্য পাঠানো হয়। পরবর্তীতে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানা-পুলিশের সহায়তায় সোমবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে তাদের উদ্ধার করা হয়।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, বাড়ি থেকে বেরিয়ে ওই চার শিক্ষার্থী প্রথমে রাজধানীতে যায় এবং সেখানে বাসা ভাড়া নিয়ে একসঙ্গে বসবাসের চেষ্টা করে। তাতে ব্যর্থ হয়ে তাদের একজনের দাদার বাড়ি হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। গভীর রাতে সেখানে পৌঁছে ঠিকানা খুঁজতে ঘোরাঘুরির সময় স্থানীয় এক অটোরিকশাচালকের সন্দেহ হয়। তিনি কালবিলম্ব না করে বিষয়টি থানায় জানালে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।
ঘটনার নেপথ্য কারণ তুলে ধরে পুলিশ সুপার বলেন, উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থীরা নিয়মিত মুঠোফোন ব্যবহার করত। টিকটকে ভিডিও তৈরির সূত্রে কয়েকজন তরুণের সঙ্গে তাদের সখ্য গড়ে ওঠে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সেই তরুণদের সঙ্গে ‘নতুন জীবন’ শুরু করার অনাকাঙ্ক্ষিত পরিকল্পনায় তারা বাড়ি ছাড়ে। তবে বিস্ময়কর বিষয় হলো, ওই তরুণদের কারও প্রকৃত পরিচয় বা ঠিকানা তাদের জানা ছিল না।
পালানোর খরচ জোগাতে এক শিশুর পরিবারের একটি অ্যান্ড্রয়েড মুঠোফোন কুমিল্লার টাউন হল মার্কেটের একটি দোকানে চার হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছিল। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ফোনটি এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কিছু স্বর্ণালংকার উদ্ধার করেছে।
সন্তানদের প্রতি আরও যত্নবান হতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, শিশুদের সঙ্গে মা-বাবার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা জরুরি। পাশাপাশি অল্প বয়সে সন্তানদের হাতে মুঠোফোন তুলে দেওয়া এবং তাদের অনিয়ন্ত্রিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের বিষয়ে অভিভাবকদের আরও বেশি সচেতন ও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। এ ঘটনায় থানায় হওয়া সাধারণ ডায়েরির (জিডি) ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
অক্টোবর ১১, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
ফরিদপুর | ১৯ মে, ২০২৫
রাজধানী | ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
ফরিদপুর | ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
সারাদেশ | ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
ক্যাম্পাস | ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
মাগুরা | ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।