এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
কিলিয়ান এমবাপ্পের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে ইরাককে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ৩২ (নকআউট পর্ব) নিশ্চিত করেছে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স[1]। নিজের শততম আন্তর্জাতিক ম্যাচে জোড়া গোল করার পাশাপাশি নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করেছেন ফরাসি অধিনায়ক[2][3]। তীব্র ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাতের কারণে প্রায় সোয়া দুই ঘণ্টা ম্যাচ বন্ধ থাকার পরও মাঠের লড়াইয়ে কোনো অঘটন ঘটতে দেয়নি দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা[2][3][4]। ইরাককে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে 'আই' গ্রুপ থেকে এক ম্যাচ হাতে রেখেই পরবর্তী পর্বের টিকিট কেটেছে তারা[1][4]।
ফিলাডেলফিয়ার লিঙ্কন ফিন্যান্সিয়াল ফিল্ডে ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের করে নেয় ২০১৮ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা[1][2]। নিজের শততম আন্তর্জাতিক ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রাখতে একদমই সময় নেননি এমবাপ্পে[3]। ম্যাচের ১৪ মিনিটেই দলকে এগিয়ে নেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড[2][3]। ইরাকের ডিফেন্ডারদের একটি দুর্বল ক্লিয়ারেন্স থেকে বল পেয়ে মাইকেল অলিসের ব্যাকপাস কাজে লাগিয়ে চমৎকার ফিনিশিংয়ে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি[4]। এই গোলের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপে নিজের ১৫তম গোল পূর্ণ করে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিওর রেকর্ড স্পর্শ করেন ফরাসি অধিনায়ক[3][5]।
১-০ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করার পর বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় বৈরী আবহাওয়া[6]। প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি ও স্টেডিয়ামের কাছাকাছি বজ্রপাতের আশঙ্কায় দ্বিতীয় ভাগের খেলা শুরু হতে সোয়া দুই ঘণ্টারও বেশি সময় বিলম্ব হয়[4][6]। তবে বিরতি শেষে মাঠে ফিরেও চেনা ছন্দ ধরে রাখতে ভুল করেনি ফ্রান্স[4]।
ম্যাচের ৫৪ মিনিটে ইরাকের গোলরক্ষক আহমেদ বাসিল ও ডিফেন্ডারের ভুল বোঝাবুঝির পুরো ফায়দা তোলে ফ্রান্স[3][7]। গোল কিক থেকে ভুল পাস চলে যায় উসমান দেম্বেলের কাছে[2]। তিনি কোনো ভুল না করে বল বাড়িয়ে দেন গোলমুখে থাকা এমবাপ্পের দিকে[3]। সহজ সুযোগটি কাজে লাগিয়ে দলকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি বিশ্বকাপে নিজের ১৬তম গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন এমবাপ্পে[2][7]। এর মাধ্যমে তিনি বিশ্বকাপ ইতিহাসে যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসাকে স্পর্শ করেন[1][7]। তাঁর সামনে এখন রয়েছেন কেবল আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি (১৮ গোল)[1][3]।
৬৬ মিনিটে ইরাকের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকেন উসমান দেম্বেলে[3][4]। অলিসের চমৎকার পাস থেকে বল পেয়ে ডি-বক্সের ডান দিক দিয়ে ভেতরে ঢুকে জোরালো শটে গোল করেন এই পিএসজি তারকা[2]। তাতেই ৩-০ গোলের দাপুটে জয় নিশ্চিত হয় ফরাসিদের[2][3]।
এই জয়ের মাধ্যমে ফ্রান্সের প্রধান কোচ দিদিয়ের দেশমও স্পর্শ করেছেন এক অনন্য রেকর্ড[1]। বিশ্বকাপে কোচ হিসেবে সর্বোচ্চ ১৬টি ম্যাচ জয়ের কৃতিত্ব গড়ে জার্মানির সাবেক কোচ হেলমুট শ্যোনের পাশে বসেছেন তিনি[1]। পরবর্তী ম্যাচে নরওয়েকে হারাতে পারলে এককভাবে এই রেকর্ডের মালিক হবেন দেশম[1]।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে এমবাপ্পের সামনে হ্যাটট্রিকের সুযোগ এলেও তাঁর নেওয়া শটটি গোলবারের ওপর দিয়ে চলে যায়। তবে সেনেগালের পর ইরাকের বিপক্ষে টানা দ্বিতীয় জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে নকআউট পর্বে নিজেদের অবস্থান আরও সুসংহত করল ফরাসিরা[1][2]।
জুলাই ৩, ২০২৬
জুলাই ১২, ২০২৬
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
রাজনীতি | ৯ আগস্ট, ২০২৬
ফুটবল | ৯ আগস্ট, ২০২৬
বিনোদন | ৯ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ৯ আগস্ট, ২০২৬
রাজনীতি | ৯ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।