এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হককে নিয়ে জাতীয় সংসদে বিএনপির এক সংসদ সদস্যের দেওয়া বক্তব্য কার্যবিবরণী থেকে এক্সপাঞ্জ (বাদ) করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে ওই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে স্পিকার নিজে যে মন্তব্য করেছিলেন, সেটিও এক্সপাঞ্জ করা হয়েছে।
রোববার (২১ জুন) বিকেলে বাজেট অধিবেশন শুরুর পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ স্বপ্রণোদিত হয়ে এই ঘোষণা দেন।
সংসদ অধিবেশনে স্পিকার বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আবু আশফাক হেফাজতে ইসলামের নেতা মামুনুল হক সম্পর্কে কথিত পরকীয়া নিয়ে দুয়েকটি মন্তব্য করেছেন, যা অনভিপ্রেত। যেহেতু সংসদে এসে নিজের আত্মপক্ষ সমর্থন করার সুযোগ তাঁর (মামুনুল হক) নেই, তাই তাঁর সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করা অনুচিত। সে কারণে আবু আশফাক সাহেবের ওই মন্তব্য আমি এক্সপাঞ্জ করেছি।’
নিজের দেওয়া বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করার বিষয়ে স্পিকার বলেন, ‘সেদিন সংসদ সদস্যের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আমিও কোনো এক ব্যক্তির জীবনের অন্ধকার অধ্যায় সম্পর্কে কথা বলেছিলাম। আমার সেই বক্তব্যটিও আমি এক্সপাঞ্জ ঘোষণা করছি।’ ভবিষ্যতে অন্য কোনো ব্যক্তির বিষয়ে বিরূপ মন্তব্য করার ক্ষেত্রে সব সংসদ সদস্যকে সতর্ক ও সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।
**প্রেক্ষাপট ও সংসদে উত্তেজনা:**
গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের প্রসঙ্গ তোলেন বিএনপির সংসদ সদস্য খোন্দকার আবু আশফাক। তিনি মামুনুল হকের সরকারের সমালোচনা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেন। একপর্যায়ে তিনি মামুনুল হকের ব্যক্তিগত জীবন এবং গাজীপুরের একটি ঘটনা টেনে ‘মুতা বিয়ে’র প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন এবং স্পিকারের কাছে জানতে চান মুতা বিয়ে আসলে কী।
সেদিন তাঁর বক্তব্য শেষ হওয়ার পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তাৎক্ষণিকভাবে বলেছিলেন, ‘অপ্রাসঙ্গিক কোনো বিষয় বক্তব্যে না আনাই ভালো। একজন রাজনৈতিক নেতার পরকীয়া সম্পর্কে আপনি মন্তব্য করেছেন। যার সংসদে এসে জবাব দেওয়ার সুযোগ নেই, তাঁর সম্পর্কে অভিযোগ তোলা সমীচীন নয়।’
বিএনপি সংসদ সদস্যের এই বক্তব্যের পর সংসদে উপস্থিত বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বিএনপির ওই সদস্যের বক্তব্য কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানান। পরবর্তীতে সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলামও অসংসদীয় বক্তব্যটুকু কার্যবিবরণী থেকে এক্সপাঞ্জ করার অনুরোধ জানান। তারই ধারাবাহিকতায় আজ স্পিকার চূড়ান্তভাবে এসব বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করার ঘোষণা দিলেন।
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
পিরোজপুর | ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ | ১ অক্টোবর, ২০২৫
রাঙ্গামাটি | ২১ জুন, ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২১ জুন, ২০২৬
বান্দরবান | ২১ জুন, ২০২৬
পিরোজপুর | ২১ জুন, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।