এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে ঈদ উপলক্ষে চালু হওয়া স্পেশাল ট্রেনটি নিয়মিত চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজারের (ডিআরএম) দপ্তর থেকে। ট্রেনটি এক ট্রিপের পরিবর্তে দুই ট্রিপ (দুই জোড়া) চালানো এবং ১০ বগির স্থলে ১৮ বগিতে চালালে যাত্রী চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রেলওয়ের ভাবমূর্তি ও রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে বলে প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
জানা গেছে, ঈদ স্পেশাল নামে চালু হওয়া এই ট্রেনটি গত ৮ এপ্রিল থেকে ৫ মে পর্যন্ত মোট ২৫ দিনে (৩দিন চলাচল বন্ধ ছিল) ৫১ লাখ ২৫ হাজার ৩৬২ টাকার রাজস্ব আয় করেছে। গতকাল রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজারের (ডিআরএম) দপ্তর থেকে কক্সবাজার স্পেশাল ট্রেনটি দিনে এক ট্রিপের পরিবর্তে দুই ট্রিপ (দুই জোড়া) চালানোর জন্য রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তার কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে এই প্রস্তাব যাবে ঢাকায় রেল ভবনে।
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজারের (ডিআরএম) দপ্তর থেকে জানা গেছে, গত ঈদে যাত্রী সাধারণ ও পর্যটকদের ভ্রমণের সুবিধার্থে ৮ এপ্রিল থেকে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে একজোড়া স্পেশাল ট্রেন চালু করা হয়। যা এখনো চালু আছে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যে প্রচুর যাত্রী চাহিদা থাকায় দুইবার মেয়াদ বর্ধিত করে ট্রেনটি ২০ মে পর্যন্ত পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়। উল্লেখ্য, কক্সবাজার স্পেশাল ট্রেনটি ১০ বগির স্থলে ১৮ বগি নিয়ে চালানো হলে যাত্রী চাহিদা যেমন মেটানো সম্ভব হবে তেমনি রাজস্ব আয় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে গতকাল রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজারের (ডিআরএম) দপ্তর থেকে এক চিঠির মাধ্যমে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। এই ব্যাপারে ডিআরএমএর দপ্তার থেকে গতকাল পাঠানো এক প্রস্তাবনায় বলা হয় গত ৮ এপ্রিল থেকে ৫ মে পর্যন্ত চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে কক্সবাজার স্পেশাল ট্রেনটি মোট ২৫ দিন ট্রেনটি (৩দিন চলাচল বন্ধ ছিল) চলাচল করেছে। এই ২৫ দিনে এই লোকাল স্পেশাল ট্রেনটি থেকে ৫১ লাখ ২৫ হাজার ৩৬২ টাকার রাজস্ব আয় হয়েছে। বিষয়টি বিবেচনা করে পর্যটন নগরী কক্সবাজার ও বন্দর নগরী চট্টগ্রামে যাতায়াতকারী যাত্রী সাধারণের ভ্রমণের সুবিধার্থে বর্তমানে ১০/২০ লোডে (১০ বগিতে) পরিচালিত কক্সবাজার স্পেশাল ট্রেনটির লোড বৃদ্ধি করে ১৮ বগিতে নিয়মিত চালুর পাশাপাশি আরো এক জোড়া ট্রেন পরিচালনা অতীব প্রয়োজন। ১৮/৩৬ লোডের এক রেকের ডাবল ট্রিপ দিয়ে রেলওয়ের টাইম টেবিল–৫৩ অনুযায়ী ট্রেনটি পরিচালনা করা এবং বুধবার সাপ্তাহিক বন্ধ নির্ধারণ করা যেতে পারে বলেও ডিআরএমএর প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়। এই প্রস্তাবনা অনুযায়ী ট্রেনটি পরিচালনা করা হলে যাত্রী চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রেলওয়ের ভাবমূর্তি ও রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে। এই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়।
পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজারের (ডিআরএম) দপ্তর থেকে প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তার দপ্তরে পাঠানো এই প্রস্তাব ঢাকায় রেল ভবনে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। তবে গতকাল রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, রেল ভবন থেকে এই প্রস্তাবনার অনুমোদন পাওয়া যাবে।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
নোয়াখালী | ৭ আগস্ট, ২০২৬
ঢাকা | ৭ আগস্ট, ২০২৬
রাঙ্গামাটি | ৭ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ৭ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ৭ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।