এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
শনিবার বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউস ময়দানে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে একটি বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ লাঘব ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবিতে আয়োজিত এই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
সমাবেশের মূল বক্তব্য এবং রাজনৈতিক বার্তাগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
১. নতুন সামাজিক ও রাজনৈতিক বিপ্লবের ডাক
জামায়াত আমির যুবসমাজকে একটি মানবিক, দুর্নীতিমুক্ত ও শোষণহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নতুন এক বিপ্লবের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি স্পষ্ট করেন, এই বিপ্লবের লক্ষ্য কোনো নির্দিষ্ট দলকে ক্ষমতায় বসানো বা ব্যক্তিবিশেষের তোষামোদ করা নয়, বরং দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা।
২. বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থানের সমালোচনা
রাজনৈতিক প্রসঙ্গে বিএনপির সমালোচনা করে শফিকুর রহমান বলেন, দলটি জনগণের সাথে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেনি। তিনি তাঁদের ভুল সংশোধন করে জনরায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি সতর্ক করে বলেন, দাবি আদায়ে সংসদীয় প্রক্রিয়া সফল না হলে দেশের প্রতিটি জেলা থেকে তীব্র গণ-আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
৩. দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত সুরক্ষা
সীমান্তে অনুপ্রবেশের (পুশ-ইন) চেষ্টা এবং যেকোনো ধরনের বিদেশি আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, দেশের মানুষ ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ। বাংলাদেশ কোনো প্রতিবেশী রাষ্ট্রের শান্তিতে বিঘ্ন ঘটাতে চায় না, তবে দেশের ক্ষতি করার যেকোনো অপচেষ্টাকে শক্ত হাতে প্রতিহত করা হবে।
৪. সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিগত সরকারের সমালোচনা
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমালোচনা করে শফিকুর রহমান বলেন, বিগত দীর্ঘ শাসনামলে দেশে যে মানবাধিকার লঙ্ঘন, দুর্নীতি এবং অর্থ পাচারের ঘটনা ঘটেছে, তার জন্য সাবেক সরকারের কোনো অনুশোচনা নেই। তিনি অভিযোগ করেন, দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরও ভারতের মাটি থেকে দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
৫. সরকারের প্রতিশ্রুতি ও রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি
সমাবেশের সভাপতি ও জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, ক্ষমতার ভারসাম্যের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এলেও বর্তমান সরকার এখন রাষ্ট্র সংস্কারের প্রতিশ্রুতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। জনগণের রায়কে উপেক্ষা করে সরকার একদলীয় কর্তৃত্বের দিকে ঝুঁকছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
অন্যান্য বক্তারা জুলাই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য—যেমন বৈষম্যহীন সমাজ গঠন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিগত আন্দোলনের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচারের অগ্রগতি নিয়ে সরকারের কাছে স্পষ্ট জবাব দাবি করেন।
এই সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকসহ জোটের অন্যান্য শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আগস্ট ১, ২০২৬
জুন ১৪, ২০২৬
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ৫ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ৫ আগস্ট, ২০২৬
বরিশাল | ৫ আগস্ট, ২০২৬
মাদারীপুর | ৫ আগস্ট, ২০২৬
মাগুরা | ৫ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।