এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
দীর্ঘ ২৫ বছর পর ‘বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন’ সংশোধন করে সেটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১০ম বৈঠকে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়াসহ মোট চারটি আইনের খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে আইনগুলোর খসড়া উপস্থাপন করা হয়।
১. বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬
২০০১ সালের ১৫ জুলাই ‘বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন’ গেজেট আকারে প্রকাশিত হলেও দীর্ঘ দুই দশকেও তা কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসনিক নিয়োগ ও শিক্ষা কার্যক্রম চালুর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তবে বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে এটিকে বিশেষায়িত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নতুন খসড়া আইন অনুযায়ী, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান, প্রকৌশল, কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসায় প্রশাসন, আইন, কৃষি ও চিকিৎসাবিজ্ঞানসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের সব শাখার সমন্বয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
২. জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬
অনলাইন ও অফলাইনে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক জুয়ার বিস্তার রোধে ১৮৬৭ সালের ‘দ্য পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট’ সংশোধন ও যুগোপযোগী করে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
আইনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ:
ডিজিটাল সম্পদ, অনলাইন জুয়া, ডিজিটাল গ্যাম্বলিং প্ল্যাটফর্ম, ডিজিটাল ওয়ালেট, ম্যাচ ফিক্সিং ও স্পট ফিক্সিং এবং বাজিকর (বুকমেকার) সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ের স্পষ্ট সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অপরাধের গুরুত্ব ও ধরন অনুযায়ী কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে আইনটির খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
৩. দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬
পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন, প্রশ্ন ফাঁস ও ডিজিটাল জালিয়াতি প্রতিরোধে ১৯৮০ সালের বিদ্যমান আইনটি সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আইনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ:
পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল বা মেধাতালিকায় হ্যাকিং বা অবৈধ কোনো পরিবর্তন করাকে ‘ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন’ নামের নতুন অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।
ডিজিটাল ম্যানিপুলেশনের দায়ে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
পরীক্ষা জালিয়াতিতে কোনো সংগঠিত চক্র বা সিন্ডিকেট জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ও অর্থদণ্ডের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
৪. মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬
মাদক পাচার, অপব্যবহারের পরিবর্তিত ধরন এবং সাইবার স্পেসে প্রযুক্তিনির্ভর মাদক অপরাধ মোকাবিলায় ২০১৮ সালের আইনটি সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।
আইনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ:
বিচারিক প্রক্রিয়া দ্রুত ও জোরদার করতে ‘মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল’ প্রতিষ্ঠার বিধান রাখা হয়েছে।
সাইবার ক্রাইম তথা প্রযুক্তিনির্ভর মাদক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নতুন ধারা যুক্ত করা হয়েছে।
সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান রোধে বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মধ্যে আন্তঃসমন্বয় ও যৌথ অভিযানের বিধান রাখা হয়েছে।
মাদকদ্রব্য সহজে শনাক্ত করার উদ্দেশ্যে বিশেষ ‘ডগ স্কোয়াড’ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
মন্ত্রিসভার অনুমোদন পাওয়া এই খসড়া আইনগুলো লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের চূড়ান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা (ভেটিং) শেষে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে কার্যকর করা হবে।
নোয়াখালী | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
নোয়াখালী | ১৬ মার্চ, ২০২৫
মাগুরা | ৫ অক্টোবর, ২০২৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ফরিদপুর | ৫ আগস্ট, ২০২৬
ফরিদপুর | ৫ আগস্ট, ২০২৬
বরিশাল | ৫ আগস্ট, ২০২৬
মাদারীপুর | ৫ আগস্ট, ২০২৬
মাগুরা | ৫ আগস্ট, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।