এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।
সরাসরি আপনার ইনবক্সে সর্বশেষ খবর, আপডেট এবং বিশেষ অফার পেতে আমাদের গ্রাহক তালিকায় যোগ দিন
জন্মের পর পৃথিবীর আলো দেখেছিল অন্য সব শিশুর মতোই। বাবা-মাও স্বপ্ন দেখেছিলেন, তাদের সন্তান একদিন হাসবে, খেলবে, পড়াশোনা করবে, আর সবার মতো স্বাভাবিক জীবন কাটাবে। কিন্তু সেই স্বপ্নের জায়গায় নেমে আসে এক দীর্ঘ সংগ্রামের গল্প।
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার রামকান্তপুর গ্রামের ৬ বছর বয়সী শিশু মিনহাজ জন্মের মাত্র ছয় মাস পর থেকেই জটিল রোগের সঙ্গে লড়াই করছে।
শৈশবের আনন্দ, খেলাধুলা আর বন্ধুদের সঙ্গে দৌড়ঝাঁপ করার সময়ে মিনহাজকে কাটাতে হচ্ছে হাসপাতাল, ওষুধ আর অসহ্য যন্ত্রণার মধ্যে। খাদ্যনালীর জটিল সমস্যার কারণে সে আজও স্বাভাবিকভাবে পায়খানা করতে পারে না। কয়েকদিন পরপর ওষুধের সাহায্যে তাকে পায়খানা করাতে হয়। প্রতিটি দিন তার জন্য কষ্টের, আর প্রতিটি রাত বাবা-মায়ের জন্য একেকটি নির্ঘুম আতঙ্কের রাত।
দীর্ঘ ছয় বছর ধরে ফরিদপুরের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. এসি পালের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চললেও কাঙ্ক্ষিত উন্নতি হয়নি। সম্প্রতি চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থার উন্নত চিকিৎসা ও জরুরি অপারেশনের জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। চিকিৎসকদের মতে, দ্রুত অপারেশন না করানো গেলে মিনহাজের শারীরিক অবস্থা আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।
কিন্তু এখানেই সবচেয়ে বড় বাধা-অর্থ।
মিনহাজের বাবা জাকির খা একজন সাধারণ টিউবওয়েল মিস্ত্রি। প্রতিদিনের আয়ে কোনোমতে সংসারের খরচ মেটালেও সন্তানের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় আড়াই লাখ টাকা জোগাড় করা তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে ছেলের চিকিৎসার পেছনে যা ছিল, তার অনেকটাই ব্যয় হয়ে গেছে। এখন চিকিৎসার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এসে তারা সম্পূর্ণ অসহায়।
ছেলের কষ্টের কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন মা আলেয়া বেগম। চোখের পানি মুছতে মুছতে তিনি বলেন, আমার ছেলে ছয় মাস বয়স থেকে এই রোগে ভুগছে। ছয় বছর ধরে শুধু হাসপাতাল আর ওষুধের পেছনেই জীবন কেটে যাচ্ছে। ডাক্তার ঢাকায় নিয়ে যেতে বলেছেন, কিন্তু আমাদের সেই সামর্থ্য নেই। একজন মা হিসেবে প্রতিদিন আমার সন্তানের কষ্ট দেখা ছাড়া আর কিছুই করতে পারছি না। কেউ যদি একটু সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন, তাহলে আমার ছেলেটা হয়তো নতুন জীবন ফিরে পাবে।
প্রতিদিন যখন অন্য শিশুরা মাঠে খেলাধুলা করে, স্কুলে যায়, হাসি-আনন্দে সময় কাটায়, তখন মিনহাজকে লড়তে হয় নিজের শরীরের সঙ্গে। তার নিষ্পাপ চোখে এখনও বেঁচে থাকার স্বপ্ন আছে, সুস্থ হয়ে বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে যাওয়ার স্বপ্ন আছে। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণের পথে আজ সবচেয়ে বড় বাধা অর্থের অভাব।
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী অপারেশন ও পরবর্তী চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এই অর্থ জোগাড় করতে না পারলে একটি নিষ্পাপ শিশুর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার অন্ধকারে হারিয়ে যেতে পারে।
তাই সমাজের বিত্তবান, দানশীল, মানবিক ও হৃদয়বান মানুষের কাছে অসহায় পরিবারটির আকুল আবেদন আপনাদের সামান্য সহযোগিতাই হয়তো বাঁচিয়ে দিতে পারে একটি শিশুর জীবন, ফিরিয়ে দিতে পারে তার মুখের হাসি। অনেকের ছোট ছোট সহায়তাই হতে পারে মিনহাজের নতুন জীবনের আশার আলো।
আসুন, মানবতার হাত বাড়িয়ে দিই। একটি শিশুর জীবন বাঁচাতে যার যার অবস্থান থেকে সহযোগিতা করি এবং মহান আল্লাহর কাছে তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করি।
সহযোগিতার জন্য যোগাযোগ
মিনহাজের বাবা: জাকির খা , মোবাইল: ০১৭৩৩-১৪৬৩৫৬
রংপুর | ৮ অক্টোবর, ২০২৫
কুষ্টিয়া | ৪ জুন, ২০২৪
পিরোজপুর | ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
ফরিদপুর | ২১ অক্টোবর, ২০২৫
বান্দরবান | ২৮ জুন, ২০২৫
ফরিদপুর | ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বলিউড | ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
জাতীয় | ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
জাতীয় | ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
নেত্রকোনা | ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
এই সাইট কুকিজ ব্যবহার করে. সাইটটি ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনি আমাদের কুকিজ ব্যবহারে সম্মত হচ্ছেন।